প্রিন্ট এর তারিখঃ বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩

ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের নজরে আসতেই সমাধান, সৌদি থেকে ফিরলেন ৩৩ উমরাহ যাত্রী

d85082917f1c2cc0e373e42d5f5e15c1
আজকের কথা ডেস্ক :

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদের ত্বরিত ও কার্যকর উদ্যোগে সৌদি আরবে আটকে পড়া ৩৩ জন উমরাহ যাত্রী নিরাপদে দেশে ফিরেছেন। দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগ ওঠা ‘মাস্ক হজ গ্রুপ’ নামের একটি ট্রাভেল এজেন্সির কারণে এসব যাত্রী জেদ্দায় চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েন।

সৌদি আরবে বাংলাদেশ হজ অফিসের কাউন্সিলর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ মার্চ উমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে যাত্রীরা সৌদি আরবে যান। তাদের ৫ এপ্রিল দেশে ফেরার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে সংশ্লিষ্ট এজেন্সি রিটার্ন টিকিট সরবরাহ করেনি। পরবর্তীতে ১৮ এপ্রিল তাদের ভিসার মেয়াদও শেষ হয়ে গেলে তারা আইনি জটিলতা ও আর্থিক সংকটে পড়েন।

পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করলে জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ হজ অফিস থেকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে জরুরি বার্তা পাঠানো হয়। বিষয়টি জানার পর ধর্মমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে পদক্ষেপ নেন এবং জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেটকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

মন্ত্রীর নির্দেশনায় কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ভুক্তভোগী যাত্রীদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে। পরে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির ওপর চাপ প্রয়োগ করে তাদের বিমান টিকিটের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২৩ এপ্রিল সর্বশেষ দলটি দেশে ফিরে আসে।

প্রতিনিধি দলে কমার্শিয়াল কাউন্সিলর সৈয়দা নাহিদা হাবিবা, হজ অফিসের কাউন্সিলর মো. কামরুল ইসলাম এবং কনস্যুলার কর্মকর্তা এ এস এম সায়েমও উপস্থিত ছিলেন। ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় যাত্রীরা যাতে কোনো ধরনের ইমিগ্রেশন জটিলতায় না পড়েন, সে লক্ষ্যে সৌদি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছেও বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়।

উল্লেখ্য, এর আগেও ‘মাস্ক হজ গ্রুপ’-এর মাধ্যমে উমরাহ পালনে যাওয়া কয়েকজন যাত্রী একই ধরনের ভোগান্তিতে পড়েছিলেন। সেবারও ধর্মমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হওয়ায় সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

প্রিন্ট করুন