কুমিল্লায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে কৃষিখাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জেলার অন্তত ১৭৩৩ হেক্টর জমির ধান পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। পাশাপাশি ৫৫০ হেক্টর ভুট্টা, ২৩৫ হেক্টর আউশ ধানের বীজতলা এবং ৩৬৪ হেক্টর জমির গ্রীষ্মকালীন সবজি নষ্ট হয়েছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জেলার ১৭টি উপজেলাতেই কমবেশি ফসলের ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে লাকসাম, দাউদকান্দি, নাঙ্গলকোট, দেবীদ্বার ও মুরাদনগরে ক্ষতির পরিমাণ বেশি।
তিনি আরও বলেন, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে কাজ করছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে কালবৈশাখী ঝড়ের প্রভাবে জেলার বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাও মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) পর্যন্ত ১৭টি উপজেলায় ৩৫টি ট্রান্সফরমার বিকল হয়ে পড়েছে, ভেঙে গেছে ৭১টি বৈদ্যুতিক খুঁটি এবং নষ্ট হয়েছে প্রায় ৫৫০টি মিটার সংযোগ।
এর ফলে অন্তত ২৭ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন। ঝড়ো বাতাসে অসংখ্য গাছ উপড়ে বিদ্যুতের লাইনের ওপর পড়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
বিদ্যুৎ না থাকায় বিভিন্ন এলাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে মানুষকে। মোবাইল ফোন ব্যবহারে বিঘ্ন ঘটছে, নষ্ট হচ্ছে ফ্রিজে সংরক্ষিত খাবারসহ দৈনন্দিন জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। কালবৈশাখী ঝড়ে

আজকের কথা ডেস্ক