প্রিন্ট এর তারিখঃ বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩

আওয়ামী লীগ ছাড়া পটুয়াখালী জেলা বার নির্বাচন, মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত

20260430 140201 0000
আজকের কথা ডেস্ক :

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) পটুয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির এক বছর মেয়াদি (২০২৬-২০২৭) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীদের অংশগ্রহণ না থাকায় এবারের নির্বাচনটি মূলত বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত দুটি প্যানেলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। ফলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা সরাসরি এই দুই পক্ষের মধ্যেই গড়ে উঠেছে।

সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ মোট ৯টি পদের মধ্যে ৮টি পদে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। দুটি প্যানেল থেকে মোট ১৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে লাইব্রেরি সম্পাদক পদে বিএনপি সমর্থিত অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

প্রধান পদগুলোতে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান (বিএনপি) ও অ্যাডভোকেট আলহাজ মো. নাজমুল আহসান (জামায়াত), সহ-সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান (জামায়াত) ও অ্যাডভোকেট মো. নজরুল ইসলাম (বিএনপি), সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট মো. মহিউদ্দিন (জামায়াত) ও অ্যাডভোকেট মো. আরিফ হোসেন (বিএনপি) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। তারা হলেন—অ্যাডভোকেট মো. ওমর ফারুক ও অ্যাডভোকেট মো. আনোয়ার হোসাইন (জামায়াত) এবং অ্যাডভোকেট মো. আমিনুল ইসলাম সোহাগ ও অ্যাডভোকেট মো. মুজিবুল হক বিশ্বাস রানা (বিএনপি)।

ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট মো. আবু সাঈদ খান (জামায়াত) ও অ্যাডভোকেট মো. মাইনুল ইসলাম রুবেল (বিএনপি) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সদস্য দুটি পদের জন্য অ্যাডভোকেট মো. নজরুল ইসলাম পাটোয়ারী (জামায়াত), অ্যাডভোকেট মারিয়াম আহমেদ (বিএনপি) এবং অ্যাডভোকেট মো. এনামুল হক রাসেল (বিএনপি) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আইনজীবী সমিতির মোট ভোটার সংখ্যা ৫২০ জন। সমিতি ভবনের দ্বিতীয় তলায় সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ওয়াহিদ সরোয়ার কালাম জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অ্যাডভোকেট আবুল কাসেম খান ও অ্যাডভোকেট মো. সাইদুর রহমান।

এদিকে, সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী বৈরী নির্বাচনী পরিবেশের কারণে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনসহ দেশের বিভিন্ন বারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীরা অংশগ্রহণ থেকে বিরত রয়েছেন। এর প্রভাব জেলা পর্যায়ের নির্বাচনেও পড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

‘জিরো টলারেন্স’ নীতির পর চাঁদাবাজি ও দখল অনেকাংশে কমেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তাঁর এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

প্রিন্ট করুন