কুমিল্লার মুরাদনগরে স্কুল থেকে ফেরার পথে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগের ৮ দিন পার হলেও এখনো গ্রেপ্তার হয়নি প্রধান অভিযুক্ত। এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে।
গত ২২ এপ্রিল দুপুরে মুরাদনগর উপজেলার সদর ইউনিয়নের মটকিরচর এলাকা থেকে ওই ছাত্রীকে জোর করে তুলে নিয়ে পাশের হোমনা উপজেলার কুটুমবাড়ি এলাকার একটি নির্জন স্থানে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। এ ঘটনায় ২৪ এপ্রিল ভুক্তভোগীর মা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মুরাদনগর থানায় মামলা করেন।
মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে উপজেলার রামপুর এলাকার সাইফুল ইসলাম (২৩)-কে। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ঘটনার দিন সকালে ওই ছাত্রী স্কুলে যায়। দুপুরে বাড়ি ফেরার পথে মটকিরচর ঈদগাহ সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে সাইফুল ইসলাম ও এক অজ্ঞাত সিএনজিচালক তার মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। বিকেলে তাকে স্কুলের সামনে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। পরে আহত অবস্থায় বাড়ি ফিরে পরিবারকে বিষয়টি জানায় সে।
ভুক্তভোগীর মা বলেন, “আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় আমরা আতঙ্কে আছি। মামলা তুলে নিতে চাপ দেওয়া হচ্ছে। দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার চাই।”
তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রুহুল আমিন বলেন, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান ও নজরদারি চলছে।
মুরাদনগর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, অভিযুক্ত পলাতক থাকায় গ্রেপ্তারে সময় লাগছে, তবে তাকে ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় দ্রুত আসামি গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আজকের কথা ডেস্ক