কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার দারোরা ইউনিয়নের কাজিয়াতল গ্রামে কিশোর গ্যাংয়ের দফায় দফায় হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া অভিযোগের পর অভিযান চালিয়ে একই পরিবারের দুই সহোদরকে আটক করেছে পুলিশ।
আটককৃতরা হলেন, কাজিয়াতল গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে মো. জহির (২৮) ও তার আপন ছোট ভাই মো. সায়মন (২০)। তারা পূর্বে দায়ের করা দুইটি পৃথক অভিযোগের এজাহারভুক্ত আসামি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ ও ২৯ মে কাজিয়াতল গ্রামে পূর্ব বিরোধ ও মোটরসাইকেল চালানোকে কেন্দ্র করে সংঘটিত দফায় দফায় হামলায় অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ১১ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে একই আসামিদের বিরুদ্ধে মুরাদনগর থানায় পৃথক দুইটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।
অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধভাবে লোহার রড, লাঠি, বাঁশ ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে বাড়িঘরে ভাঙচুর এবং পরিবারের সদস্যদের মারধর করে গুরুতর আহত করে। পরদিনও একই পরিবারের সদস্যদের ওপর পুনরায় হামলার অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করলে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার রাতে দুই সহোদর জহির ও সায়মনকে আটক করা হয়েছে।
মুরাদনগর থানার একটি সূত্র জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্যও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে অভিযুক্তদের আটকের খবরে এলাকায় স্বস্তি ফিরতে শুরু করলেও ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এখনো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়রা হামলার ঘটনায় জড়িত বাকি আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

রোমানা আক্তার