নিজের মেধা, কঠোর পরিশ্রম আর অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে সুদূর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (আমেরিকা) নিজের এক অনন্য অবস্থান তৈরি করেছেন বাংলাদেশী তরুণী আতিয়া ইসলাম। শুধু রূপেই নয়, সমস্ত প্রতিকূলতা পেরিয়ে সুদূর প্রবাসে আজ তিনি এক প্রতিষ্ঠিত নাম, যা একই সাথে দেশের জন্য বয়ে এনেছে এক বিশাল গৌরব।
আতিয়া ইসলামের শিকড় জড়িয়ে আছে উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী জেলা বগুড়ায়। শৈশব থেকেই পড়ালেখায় দারুণ মেধাবী আতিয়া সবসময়ই বড় স্বপ্ন দেখতেন। সেই স্বপ্নের টানেই পাড়ি জমান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। নতুন দেশ, ভিন্ন পরিবেশ আর চেনা পরিধির বাইরে প্রথম দিকে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হলেও কখনো হাল ছাড়েননি তিনি। নিজের কর্মক্ষেত্রে সততা ও যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে আজ তিনি প্রবাসে সফলভাবে প্রতিষ্ঠিত।
“নীল শাড়ির জমকালো সাজে অপরূপা আতিয়া ইসলাম; যিনি নিজ কর্মগুণে আজ সুদূর আমেরিকায় সুপ্রতিষ্ঠিত।”
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার একটি স্নিগ্ধ ও ঐতিহ্যবাহী লুকের ছবি বেশ প্রশংসা কুড়াচ্ছে। ছবিতে তাকে একটি আকর্ষণীয় গাঢ় নীল রঙের জমকালো শাড়িতে দেখা যায়, যা প্রবাসের বুকেও বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে লালন করার এক দারুণ দৃষ্টান্ত। তার এই চমৎকার সাফল্য ও সাবলীল উপস্থাপনা নতুন প্রজন্মের নারীদের জন্য অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক।
প্রবাসে সুপ্রতিষ্ঠিত হলেও আতিয়া ইসলামের মন পঁড়ে থাকে প্রিয় মাতৃভূমি এবং নিজের জন্মস্থান বগুড়ায়। সুযোগ পেলেই তিনি দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করার ইচ্ছা ব্যক্ত করেন। মেধা আর পরিশ্রমে বাঙালী নারীরা যে বিশ্বমঞ্চের যেকোনো স্থানে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে, আতিয়া ইসলাম তারই এক জীবন্ত উদাহরণ। তার এই ধারাবাহিক সাফল্য ও ভবিষ্যৎ পথচলার জন্য রইল অনেক শুভকামনা।

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী