প্রিন্ট এর তারিখঃ মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

দেবীদ্বারের বড়শালঘর উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্রীদের জন্য আধুনিক কমফোর্ট জোন নির্মাণ

বড়শালঘর উচ্চ বিদ্যালয়ে কমফোর্ট জোন
এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বিশেষ প্রতিবেদক :

কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্রীদের স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করতে আধুনিক ও মানসম্মত একটি কমফোর্ট জোন নির্মাণ করেছে রোটারি ক্লাব অব আলোকিত ঢাকা।

রোটারি ক্লাব অব আলোকিত ঢাকার অর্থায়নে এবং বড়শালঘরের কৃতী সন্তান রোটারিয়ান মো. আনোয়ার হোসেনের উদ্যোগে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়।

শনিবার (২০ জুন) কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের মফিজ উদ্দিন আহমেদ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক আলোচনা সভা শেষে নবনির্মিত কমফোর্ট জোনটি আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

প্রকল্পের বিশেষ দিকগুলো

  • ✅ ছাত্রীদের জন্য আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত কমফোর্ট জোন নির্মাণ।
  • ✅ রোটারি ক্লাব অব আলোকিত ঢাকার অর্থায়নে পুরোনো শৌচাগারের সংস্কার, সম্প্রসারণ ও পুনর্নির্মাণ।
  • ✅ নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও শিক্ষাবান্ধব স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।
  • ✅ শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
  • ✅ এক বছরের জন্য পরিচ্ছন্নতাকর্মী (ক্লিনার) নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
  • ✅ ক্লিনারের বেতন-ভাতা ও রক্ষণাবেক্ষণের সম্পূর্ণ ব্যয় ব্যক্তিগতভাবে বহন করবেন রোটারিয়ান মো. আনোয়ার হোসেন।
  • ✅ সামাজিক দায়বদ্ধতা ও শিক্ষাবান্ধব উদ্যোগের অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে প্রকল্পটি।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেনের সভাপতিত্বে এবং রোটারি ক্লাব অব আলোকিত ঢাকার প্রজেক্ট ডিরেক্টর মো. আনোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রাইম গ্রুপের সিএফও রফিকুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোটারি ক্লাব অব আলোকিত ঢাকার প্রেসিডেন্ট মিজানুর রহমান, সাবেক ব্যাংকার আব্দুল বারী সরকার, বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেমসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বক্তারা বলেন, বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। রোটারি ক্লাব অব আলোকিত ঢাকার সহযোগিতায় পুরোনো শৌচাগারটি সংস্কার, পুনর্নির্মাণ ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে আধুনিক কমফোর্ট জোনে রূপান্তর করা হয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরা এখন পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে প্রয়োজনীয় স্যানিটেশন সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে।

অনুষ্ঠানে রোটারিয়ান মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, এলাকার শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। শুধু নির্মাণ কাজেই সীমাবদ্ধ না থেকে কমফোর্ট জোনটির সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে আগামী এক বছরের জন্য একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী (ক্লিনার) নিয়োগ দেওয়া হবে। তিনি জানান, ওই কর্মীর বেতন-ভাতা ও সংশ্লিষ্ট সব ব্যয় তিনি ব্যক্তিগতভাবে বহন করবেন।

স্থানীয়রা এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ ধরনের সামাজিক উদ্যোগ অন্যদের জন্যও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

প্রিন্ট করুন