
পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে পিকআপ চালক ও উপজেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সহ-সভাপতি মানিক মিয়া (৪০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় এক যুবদল নেতার নেতৃত্বে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে হাসপাতালে ভর্তি করার সময় ঘটনাটি সড়ক দুর্ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে পিকআপ চালক ও শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সহ-সভাপতি মানিক মিয়ার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের দাবি, তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত ১১টার দিকে গৌরীপুর পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় পিকআপ চালক মানিক মিয়াকে প্রথমে গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে বুধবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত পিকআপ চালক মানিক মিয়া পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকার আজিবুল ইসলামের ছেলে। তিনি গৌরীপুর উপজেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন এবং পেশায় ‘মানিক পালকি’ নামে একটি পিকআপের চালক।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) জবায়দুল হক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, স্বজনদের কাছ থেকে তিনি জেনেছেন মানিক মিয়াকে মারধর করা হয়েছিল। তবে ভর্তি ফরমে কেন সড়ক দুর্ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেটি তদন্তে স্পষ্ট হবে।
নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীর দাবি, মঙ্গলবার রাতে বাসস্ট্যান্ডে বসে থাকা অবস্থায় ১০ থেকে ১৫ জন ব্যক্তি মানিক মিয়াকে তুলে নিয়ে যায়। পরে তাকে মারধর করে গুরুতর আহত অবস্থায় সতিশা রোড এলাকায় এনে তার স্ত্রী সেলিনাকে ডেকে হস্তান্তর করে চলে যায়।
পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ বিষয়ে গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, নিহতের মা ও ভাইয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

