বগুড়ার নন্দীগ্রামে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে গছাইল হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট বাকি বিল্লাহ (৫১)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত ব্যক্তি ভুক্তভোগীর চাচাতো দুলাভাই হওয়ায় ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
- বগুড়ার নন্দীগ্রামে শারীরিক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট গ্রেপ্তার।
- অভিযুক্ত ব্যক্তি ভুক্তভোগীর চাচাতো দুলাভাই হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
- চিকিৎসা পরীক্ষায় ভুক্তভোগী প্রায় ১৪ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা যায়।
- আদালতের নির্দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করে পুলিশ অভিযান চালায়।
- গ্রেপ্তারের পর অভিযুক্তকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নন্দীগ্রাম উপজেলার ভাটগ্রাম ইউনিয়নের গছাইল গ্রামের বাসিন্দা বাকি বিল্লাহ স্থানীয় গছাইল হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট হিসেবে কর্মরত। কর্মস্থল ভুক্তভোগীর বাড়ির পাশেই হওয়ায় তিনি নিয়মিত ওই বাড়িতে যাতায়াত করতেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বাড়িতে একা থাকা ২৬ বছর বয়সী শারীরিক প্রতিবন্ধী তরুণীকে নিজ কক্ষে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন তিনি।
ঘটনার পর বিষয়টি গোপন থাকলেও পরে তরুণীর শারীরিক পরিবর্তন দেখে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়।
গত ৬ জুন একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করালে চিকিৎসক জানান, ওই তরুণী প্রায় ১৪ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা।
এরপর ভুক্তভোগীর বাবা বগুড়ার আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে নন্দীগ্রাম থানায় মামলাটি রুজু করা হয়।
মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভোরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত বাকি বিল্লাহকে গ্রেপ্তার করে নন্দীগ্রাম থানা পুলিশ।
ঘটনার পর একজন মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তারিকুল ইসলাম বলেন, “প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা রুজু হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।”

