
রাজশাহীর বাগমারায় তিন ফসলি কৃষিজমিতে অবৈধভাবে পুকুর খনন ও মাটি বিক্রির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
একই দিনে তিনটি পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। পাশাপাশি অবৈধ খননের কাজে ব্যবহৃত একটি এস্কেভেটর (খননযন্ত্র) অকেজো করে দেওয়া হয়েছে।
সংবাদের হাইলাইটস
শনিবার (৪ জুলাই) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার গোবিন্দপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম ভূঞা।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বিকেল ৪টার দিকে চাইসাড়া গ্রামের মনোপাড়া এলাকায় অনুমতি ছাড়াই পুকুর খনন, জমির শ্রেণি পরিবর্তন এবং মাটি পরিবহনের মাধ্যমে সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
এ সময় বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী গুলবর রহমান নামে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
এরপর বিকেল ৫টার দিকে শালজোড় গ্রামে পরিচালিত অভিযানে একই ধরনের অপরাধে আরও দুই ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
একই দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে বোয়ালিয়া মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থলে কাউকে না পেলেও অবৈধ পুকুর খননের কাজে ব্যবহৃত একটি এস্কেভেটর জব্দ করে অকেজো করে দেওয়া হয়।
অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম ভূঞা বলেন, “তিন ফসলি কৃষিজমি রক্ষায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কোনোভাবেই কৃষিজমি নষ্ট করে অবৈধভাবে পুকুর খনন করতে দেওয়া হবে না।”
বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ বলেন,
“কৃষিজমি রক্ষায় প্রশাসন সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তিন ফসলি জমিতে অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলবে এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

