
অব্যাহতি প্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায্য দেনা-পাওনা পরিশোধ কার্যক্রম চলাকালে কিছু দুষ্কৃতকারী পরিকল্পিতভাবে হেড অফিসে বিশৃঙ্খলা ও ‘মব’ পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে বলে অভিযোগ করেছে দৈনিক জনকণ্ঠ কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তার স্বার্থে সাময়িকভাবে হেড অফিসের সব কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে কর্তৃপক্ষ জানায়, অব্যাহতি প্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাওনা ধাপে ধাপে পরিশোধের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৫ জুলাই আরও ৪০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর পাওনা পরিশোধ কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা ছিল।
বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, ওই সময় কিছু দুষ্কৃতকারী, উসকানিদাতা ও সন্ত্রাসী চক্র পরিকল্পিতভাবে গ্লোব জনকণ্ঠ শিল্পপরিবারের হেড অফিসে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। তারা অফিসে অবস্থানরত প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অবরুদ্ধ করে রাখে। এছাড়া দেয়াল টপকে অফিসে প্রবেশ, অশালীন ভাষায় গালিগালাজ, নারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং অফিসের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, একপর্যায়ে কয়েকজন নারী কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ একাধিক ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পাশাপাশি অফিসের প্রধান ফটকে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে দেওয়ায় ভেতরে অবস্থানরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়ে।
এ পরিস্থিতিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবন ও নিরাপত্তা বিবেচনায় হেড অফিসের সব কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
দৈনিক জনকণ্ঠ কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, অব্যাহতি প্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধে তারা আন্তরিক ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে চলমান কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর পাওনা পরিশোধে সাময়িক বিলম্ব হতে পারে বলে তারা জানিয়েছে।
একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে, এ ধরনের বিলম্বের দায় তাদের নয়; বরং যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে, তারাই এর জন্য দায়ী।
বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী সময়ে প্রকাশ করা হবে।

