

মুরাদনগরে দৃষ্টিনন্দন কাজিয়াতল লিংক রোড, বদলাচ্ছে যোগাযোগব্যবস্থা
দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটিয়ে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার দারোরা ইউনিয়নে নতুন রূপ পেয়েছে ঐতিহ্যবাহী কাজিয়াতল লিংক রোড। দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক পিচঢালা সড়কটি চালু হওয়ায় স্থানীয় মানুষের যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি কৃষি, শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবায় নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রত্যাশার পর সড়কটির নির্মাণ ও আধুনিকীকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে এলাকার সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী এ কে এম সৈয়দ কায়েস আহমেদ মীর (সৈয়দ কায়েস মীর) এবং দারোরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. কামাল উদ্দিন খন্দকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

কাজিয়াতল লিংক রোডের উন্নয়ন এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল। সড়কটি চালু হওয়ায় মানুষের যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি কৃষি, শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবায়ও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকা সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল সাধারণ মানুষকে। বিশেষ করে বর্ষাকালে সড়কটির বিভিন্ন অংশে কাদা ও পানি জমে পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে উঠত। এতে শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও রোগীদের যাতায়াতে ভোগান্তি বাড়ত।
স্থানীয়দের মতে, জনদুর্ভোগ লাঘবে সড়কটির উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করেন সৈয়দ কায়েস মীর। তাঁর উদ্যোগ ও দিকনির্দেশনার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে সমন্বয় ও বাস্তবায়নে ইউপি চেয়ারম্যান মো. কামাল উদ্দিন খন্দকার ভূমিকা রাখেন। সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় সড়কটির নির্মাণ ও আধুনিকীকরণ সম্পন্ন হয়।
এ কে এম সৈয়দ কায়েস আহমেদ মীর মুরাদনগরের সমাজসেবা ও শিক্ষাক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত বলে স্থানীয়রা জানান। একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি শিক্ষা বিস্তারে কাজ করে আসছেন।
স্থানীয়ভাবে তিনি একটি ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সদস্য হিসেবেও পরিচিত। তাঁর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে মুরাদনগরের রাজনীতি ও বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী এবং মুরাদনগর আসনের একাধিকবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের আপন মামা।
কাজিয়াতল লিংক রোড চালু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। নতুন সড়কটি চালু হওয়ায় একদিকে যেমন যোগাযোগব্যবস্থা সহজ হয়েছে, অন্যদিকে কৃষিপণ্য দ্রুত বাজারজাত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
এছাড়া শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং জরুরি রোগীদের চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়ার ক্ষেত্রেও সময় ও দুর্ভোগ কমবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সড়কটির যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে দীর্ঘদিন এটি এলাকার মানুষের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ভূমিকা রাখবে।
কাজিয়াতল লিংক রোডের উন্নয়নকে ঘিরে সৈয়দ কায়েস মীর ও চেয়ারম্যান মো. কামাল উদ্দিন খন্দকারের উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের মতে, স্থানীয় মানুষের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে এ ধরনের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে মুরাদনগরের গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থায় আরও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।