

২২৫ ফুট দীর্ঘ ও ৯০ ফুট প্রশস্ত পতাকার সঙ্গে ‘উই রিভোল্ট’ ও জিয়াউর রহমানের নাম; ইতিহাস ও নাগরিক বিনোদনের সমন্বয়ে সাজবে উদ্যান
চট্টগ্রাম নগরীর ঐতিহাসিক ষোলশহর বিপ্লব উদ্যানে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম ও দীর্ঘতম জাতীয় পতাকা নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। প্রস্তাবিত জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য হবে ২২৫ ফুট এবং প্রস্থ ৯০ ফুট। পতাকার নিচে ‘উই রিভোল্ট’ (We Revolt) এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম সংবলিত ঐতিহাসিক উপস্থাপনাও রাখা হবে।
মঙ্গলবার বিপ্লব উদ্যানে চলমান উন্নয়নকাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
তিনি বলেন, জাতীয় পতাকাটি দৃষ্টিনন্দনভাবে স্থাপনের পাশাপাশি বিপ্লব উদ্যানের ঐতিহাসিক তাৎপর্যও তুলে ধরা হবে। নতুন প্রজন্মের কাছে এ স্থানের ইতিহাস এবং মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি তুলে ধরাই এ উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।
মেয়র বলেন, বিপ্লব উদ্যান শুধু একটি বিনোদনকেন্দ্র নয়; বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতির সঙ্গেও এ স্থানটি জড়িত। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ‘উই রিভোল্ট’ উচ্চারণের ঐতিহাসিক স্মৃতিকে সামনে রেখে উদ্যানটির উন্নয়ন করা হচ্ছে।
তিনি জানান, ইতিহাস, বিনোদন ও নাগরিক সুবিধার সমন্বয়ে বিপ্লব উদ্যানকে আধুনিক ও আকর্ষণীয় স্থানে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। শিশু-কিশোর, তরুণসহ সব বয়সী নগরবাসী যাতে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে সময় কাটাতে পারেন, উন্নয়ন পরিকল্পনায় সে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

নগরায়ণের চাপে উন্মুক্ত স্থান ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। তাই বিদ্যমান উদ্যান ও বিনোদনকেন্দ্র সংরক্ষণের পাশাপাশি সেগুলোকে নাগরিকবান্ধব করে গড়ে তোলা জরুরি। বিপ্লব উদ্যানের উন্নয়নও সেই বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ।
পরিদর্শনকালে মেয়র সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উন্নয়নকাজ শেষ করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত তদারকির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
চসিকের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২২৫ ফুট দীর্ঘ ও ৯০ ফুট প্রশস্ত জাতীয় পতাকার পাশাপাশি ‘উই রিভোল্ট’ ও জিয়াউর রহমানের নাম সংবলিত ঐতিহাসিক উপস্থাপনাকে কেন্দ্র করে বিপ্লব উদ্যানকে শুধু বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে নয়, ইতিহাস ও নাগরিক বিনোদনের সমন্বিত স্থান হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।