

দুই বিএনপি নেতাকে লাঞ্ছিত ও মারধরের অভিযোগ
দেবীদ্বার উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম সরকার ও এলাহাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেন ভূইয়াকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধরের অভিযোগে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ব্যারিস্টার রিজভিউল আহসান মুন্সীকে বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দেবীদ্বারের এলাহাবাদ বাজারে এলাহাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্যোগে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভে বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা অধ্যাপক আক্তার হোসেন, দেবীদ্বার উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য মো. জালাল উদ্দীন তপন, এলাহাবাদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কৃষক দলের সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য মো. লিটন, এলাহাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি ওমর ফারুক মেম্বার, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. হেলাল, মো. ইব্রাহিম, এলাহাবাদ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জুয়েলসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর ঢাকার গুলশানের বাসভবনে বিএনপির একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে দেবীদ্বার উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম সরকার ও এলাহাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেন ভূইয়াকে লাঞ্ছিত ও মারধর করা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
তাদের দাবি, দলের সিনিয়র নেতাদের উপস্থিতিতে এ ধরনের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে তারা ব্যারিস্টার রিজভিউল আহসান মুন্সীকে বিএনপি থেকে বহিষ্কারের দাবি জানান।
বক্তারা আরও বলেন, মো. নজরুল ইসলাম সরকার দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং দলের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন। তারা তাকে দলের দুর্দিনের একজন কর্মী হিসেবে উল্লেখ করেন।
এদিকে, একই ঘটনায় কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে ব্যারিস্টার রিজভিউল আহসান মুন্সীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে। ৪ অক্টোবর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. আবুল হাশেম স্বাক্ষরিত নোটিশে তাকে সাত দিনের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়। নোটিশে নজরুল ইসলাম সরকারের সঙ্গে খারাপ আচরণ ও মারধরের অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে ব্যারিস্টার রিজভিউল আহসান মুন্সীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।