সেনাবাহিনীর চেতনা সংবিধান ও মুক্তিযুদ্ধ শিক্ষা—এমন মন্তব্য করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সেনাবাহিনী দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে এবং সংবিধান ও স্বাধীনতা যুদ্ধের আদর্শই তাদের পথনির্দেশক।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে তেজগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে আহত শান্তিরক্ষীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
সেনাপ্রধান বলেন, “বাংলাদেশ বৈশ্বিক শান্তির পক্ষে অবিচল থাকবে।” তিনি জানান, বর্তমানে ৫,৫১৮ জন শান্তিরক্ষী বিশ্বের ৯টি দেশে নিয়োজিত রয়েছেন, যার মধ্যে ৪৪৪ জন নারী সদস্যও রয়েছেন।
তিনি জাতিসংঘ মিশনে শহিদ ১৬৮ জন সেনা ও পুলিশ সদস্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ ছাড়া কঙ্গোতে হেলিকপ্টার কন্টিনজেন্ট মোতায়েন, পেরুতে বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয় যন্ত্র অনুদান এবং সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে পরিচালিত ক্লিনিকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবিক কর্মকাণ্ডের কথাও তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। আরও উপস্থিত ছিলেন তিন বাহিনীর প্রধান, রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, জাতিসংঘ প্রতিনিধি ও অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তি।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, অতীতে ৩২ নম্বর ভবনে হামলা ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য ধ্বংসের সময় সেনাবাহিনীর ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। এখন যখন বলা হচ্ছে “সেনাবাহিনীর চেতনা সংবিধান ও মুক্তিযুদ্ধ”, তখন এই বার্তার বাস্তবতা নিয়েও জনমনে প্রশ্ন উঠছে।

আজকের কথা ডেস্ক