প্রিন্ট এর তারিখঃ বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩

৫ আগস্ট : জামায়াত আগে, বিএনপি পরে কেনো?

oykr uj jmn JgAzzqd
আজকের কথা ডেস্ক

৫ আগস্টের সংবাদ সম্মেলনে ওয়াকার কেন জামায়াতের নাম বলেছিলেন সবার আগে? বেরিয়ে আসছে ‘জুলাই ষড়যন্ত্রের’ গভীর রহস্য

🗞️ সাবহেড:

সেনাপ্রধান ওয়াকারুজ্জামানের ৫ আগস্টের বক্তব্যে জামায়াতকে টপ প্রাধান্য দেওয়ার পেছনে যে কৌশলগত ষড়যন্ত্র ছিল, তা ধীরে ধীরে উন্মোচিত হচ্ছে।


🌟 হাইলাইটস:

  • ৫ আগস্ট ওয়াকারুজ্জামান প্রথমেই জামায়াত আমীরের নাম উল্লেখ করেন, বিএনপির নয়
  • এর কিছুদিন পরই ভাইরাল হয় একটি মার্কিন রিপোর্ট, যেখানে বিএনপিকে ‘গুড ফর নাথিং’ বলা হয়
  • ধারণা করা হয়, ওয়াকার জামায়াত-ইউনুস গোষ্ঠীর ষড়যন্ত্রে আগে থেকেই জড়িত
  • ওয়াকার কখনো ইউনুসের সমালোচনা করেন, আবার কখনো তাকে আড়াল করেন—সবই পূর্বপরিকল্পিত নাটকের অংশ
  • সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে, ঘটনাপ্রবাহকে নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হয় এসব নাটকীয়তা

📄 বিস্তারিত প্রতিবেদন:

৫ আগস্ট ২০২৫—সেনাপ্রধান ওয়াকারুজ্জামানের সেই আলোচিত সংবাদ সম্মেলনের কথা নিশ্চয়ই কারও ভুলে যাওয়ার কথা নয়। সাংবাদিকরা যখন জানতে চেয়েছিলেন, “কোন কোন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সাথে আপনার দেখা হয়েছে?” — তখন ওয়াকার প্রথমেই বলেন: “জামায়াতের আমীরের সঙ্গে।”

এমন জবাবে পুরো সংবাদ সম্মেলন কক্ষ যেন স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। কেউ ভাবতেও পারেনি, বিএনপিকে পাশ কাটিয়ে সরাসরি জামায়াতের নাম কেন?

এই প্রশ্নের উত্তর বেশি দিন গোপন থাকেনি। কিছুদিনের মধ্যেই একটি মার্কিন সংস্থার অভ্যন্তরীণ রিপোর্ট ফাঁস হয়, যেখানে বিএনপিকে বলা হয়েছে “Good for nothing”। এতে স্পষ্ট হয়, বাংলাদেশে সম্ভাব্য রেজিম চেঞ্জ প্রজেক্টে জামায়াতই মূল স্টেকহোল্ডার, বিএনপি নয়।

🎯 ওয়াকার কীভাবে জানলেন এত ভেতরের তথ্য?

অনেকেই বিশ্বাস করেন, বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব এমন গোপন সমঝোতার খবর জানতেন না। তবে সেনাপ্রধান ওয়াকার কীভাবে জামায়াতের অগ্রাধিকার বুঝতে পারলেন?

বিশ্লেষকরা বলছেন, ওয়াকার নিজেই এই ষড়যন্ত্রের কোর গ্রুপের একজন। বহু আগেই তিনি সেনাবাহিনীর ভেতর থেকে এই পরিকল্পনার অংশ হয়েছেন। কিছু রাজনৈতিক কর্মী এমনকি তাকে ব্যঙ্গ করে বলেন, “সেনাবাহিনীর হেলমেট লীগার।”

🎭 ওয়াকারের নাটক: একদিকে হুমকি, অন্যদিকে সহযোগিতা?

ওয়াকার মাঝেমধ্যে ড. ইউনুসের বিরুদ্ধে ‘দায়িত্ব নিচ্ছি’ টাইপের বক্তব্য দিয়ে থাকেন। কিন্তু দেখা যায়, সেটি মূলত লোকদেখানো। কারণ, এই ধরণের হুঙ্কারের পরে সাধারণ মানুষের মনে হয়—“ওয়াকার ক্ষেপে গেছে, এবার কিছু হবে”—তারা চুপ হয়ে যায়।

আসলে এসব নাটকের উদ্দেশ্য হলো লোকজনের ফোকাস ভিন্নখাতে নিয়ে যাওয়া। এর মাধ্যমে জামায়াত-ইউনুস গোষ্ঠী তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে।


🔚 উপসংহার:

৫ আগস্টের সেই সংবাদ সম্মেলন আজ আবার আলোচনায়। কারণ, সেখানে উচ্চারিত প্রতিটি নাম, প্রতিটি ইঙ্গিত—একটি বৃহৎ ষড়যন্ত্রের অংশ ছিল বলে এখন অনেকেই মনে করছেন। ওয়াকারের বক্তব্যে জামায়াতের প্রাধান্য, বিএনপিকে উপেক্ষা—সব মিলিয়ে বাংলাদেশের চলমান রাজনীতি ও সামরিক অভ্যন্তরের গভীরে থাকা ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত বহন করে।


✅ সূত্র: অভ্যন্তরীণ সামরিক বিশ্লেষণ, মার্কিন রিপোর্ট, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক
📌 লেখক: আজকের কথা প্রতিবেদক দল
🌐 আরও পড়ুন: www.joybanglarjoy.com



 

প্রিন্ট করুন