

কারাগার কর্তৃপক্ষ জানান, সকাল ৯টার দিকে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মো. আব্দুল্লাহেল আল-আমিন বলেন,
“অসুস্থতার পর দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।”
মো. ইমাম হোসেন বাচ্চু ছিলেন তৃণমূল রাজনীতির এক প্রেরণাদায়ী মুখ। মানুষের জন্য কাজ করাই ছিল তার রাজনীতির মূল দর্শন। দলের দুঃসময়ে কিংবা আন্দোলনে সবসময় ছিলেন সামনে থেকে নেতৃত্বে।
তার আকস্মিক মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, সহকর্মী, নেতা-কর্মীরা ভেঙে পড়েছেন কান্নায়। অনেকে বলছেন, কারাগারে থাকা অবস্থায় তার স্বাস্থ্যপরীক্ষা ও সঠিক চিকিৎসা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।
একটি জীবন, একটি পরিবার, একটি রাজনীতির অধ্যায় থেমে গেল আজ। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়—এই মৃত্যু কি সত্যিই প্রতিরোধযোগ্য ছিল না?
❞
ইমাম হোসেন বাচ্চু শুধু একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন না, ছিলেন সহানুভূতির, সংগ্রামের ও জনগণের কণ্ঠস্বর। তার মৃত্যু যেন না হারিয়ে যায় সরকারি রিপোর্টের পাতায়। সমাজ ও প্রশাসনের দায়িত্বজ্ঞান যেন তাকে শেষবারের মতো ন্যায্য সম্মান দেয়।
ইমাম হোসেন বাচ্চু, আপনি থাকবেন আমাদের হৃদয়ে—চিরকাল।
🖋️ এই প্রতিবেদনটি আপনার জন্য তৈরি করেছে Dainik ajker kotha.com অনলাইন টিম। আপনার আশেপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ বা অভিযোগ জানাতে আমাদের ইনবক্স করুন।