
কুমিল্লার দেবীদ্বারে আট বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে রাশেদুল হক (৩৫) নামে এক মসজিদের ইমামকে উত্তেজিত জনতা গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (৩০ মে) উপজেলার বড় আলমপুর জামে মসজিদে। অভিযুক্ত রাশেদুল হক ওই মসজিদের ইমাম এবং পাশাপাশি আল-হেরা আইডিয়াল ইসলামিক স্কুলের শিক্ষক। তিনি উপজেলার বাগুর গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে।
⚠️ শিশুটিকে মসজিদের ভেতরে বলাৎকারের অভিযোগ
দেবীদ্বার থানার ওসি শামসুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াস রোববার দুপুরে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, শুক্রবার জুমার নামাজের পর ইমাম রাশেদুল হক স্কুলপড়ুয়া ওই শিশুটিকে (তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র) মসজিদের একটি কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে বলাৎকার করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শিশুটির চিৎকার শুনে স্থানীয় মুসল্লিরা দৌড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
💥 গণধোলাইয়ের পর পুলিশের হাতে সোপর্দ
স্থানীয়রা ইমাম রাশেদুলকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন এবং উত্তেজিত জনতা তাকে গণধোলাই দেন। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত অবস্থায় রাশেদুল হককে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে এবং তাকে হেফাজতে নেয়।
📄 অভিযোগ দায়ের, তদন্ত চলছে
ওসি ইলিয়াস আরও জানান, শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে শনিবার রাতে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযুক্ত ইমামের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতন ও যৌন নিপীড়নের ধারায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়ার কথা জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।
📌 সংক্ষেপে:
- অভিযুক্ত: রাশেদুল হক, ইমাম ও শিক্ষক
- ভুক্তভোগী: তৃতীয় শ্রেণির ৮ বছর বয়সী শিশু
- অভিযোগ: বলাৎকার
- অবস্থা: গণধোলাইয়ের পর পুলিশ হেফাজতে, চিকিৎসাধীন
- আইনি পদক্ষেপ: শিশুর পরিবারের লিখিত অভিযোগ দায়ের, মামলা প্রক্রিয়াধীন
✅ ট্যাগ:
দেবীদ্বার, শিশু বলাৎকার, মসজিদে নির্যাতন, ইমাম গ্রেপ্তার, কুমিল্লা, শিশু অধিকার, পুলিশ হেফাজত, যৌন নিপীড়ন, ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

