ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থী শাকিল আহমেদ আত্মহত্যা করেছেন অনলাইন ও অফলাইনে মব হুমকি এড়াতে—এমনটাই দাবি করেছে চারুকলা ছাত্র ইউনিয়ন।
আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানিয়েছে, শাকিল আহমেদের মৃত্যুর জন্য দায়ী সামাজিক মব কালচার এবং অন্তর্বর্তী সরকারের বিচারহীনতার সংস্কৃতি।
আত্মহত্যার পেছনে অনলাইন মব কালচার
বিজ্ঞপ্তিতে ছাত্র ইউনিয়নের চারুকলা অনুষদের দপ্তর সম্পাদক মৃধা রাইয়ান উল্লেখ করেন, ভাস্কর্য বিভাগের ১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী শাকিল আহমেদ ৯ জুন দিবাগত রাতে আত্মহত্যা করেন। মৃত্যুর আগে শাকিল জানান, তাঁর সঙ্গে কিছু মানুষের ভুল বোঝাবুঝিকে কেন্দ্র করে অনলাইনে তাঁকে মব করা হয় এবং তাঁর পরিবারকেও হুমকি দেওয়া হয়।
এই মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পেতেই শাকিল আত্মহত্যার পথ বেছে নেন বলে দাবি সংগঠনটির।
ছাত্র ইউনিয়নের অভিযোগ ও দাবি
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, “উগ্রবাদীরা এখন সর্বস্তরে মব চালাচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকার মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। তারা বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে ব্যবহার করে টিকে থাকতে চাইছে।”
ছাত্র ইউনিয়নের দাবি, শাকিল আহমেদের অকাল মৃত্যুর জন্য সরকার ও সমাজে ছড়িয়ে পড়া এই মব কালচার দায়ী। তাঁরা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং যাঁরা শাকিলের বিরুদ্ধে মব তৈরি করেছেন, তাঁদের শাস্তির দাবি জানান।
ঘটনাস্থলে পুলিশ ও প্রাথমিক তথ্য
আজ সকাল ১০টায় মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে শাকিল আহমেদের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। জানা গেছে, ফেসবুকে একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি তাঁকে অনলাইন ও সরাসরি বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল।
জানা গেছে, ফেসবুকে একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি শাকিল আহমেদ আত্মহত্যা করার আগে অনলাইন ও সরাসরি নানা হুমকির শিকার হন তিনি।

আজকের কথা ডেস্ক