ড. ইউনূস বিতর্ক ঘনীভূত হচ্ছে প্রতিদিনই। যত দ্রুত তাঁকে সরানো যাবে, ততই মঙ্গল!” আজ বৃহস্পতিবার (১২ জুন) লন্ডন থেকে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
জাওয়াদ নির্ঝর আরও বলেন, “আবেগ দিয়ে নয়, বিবেক দিয়ে ভাবুন! সুদের ব্যবসা করে নোবেল পাওয়া যায়, কিন্তু দেশ চালানো এত সহজ নয়।”
🔍 ইউনূস বিতর্ক লন্ডনেও
তিনি দাবি করেন, লন্ডনে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন মূলত আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণে। ইউনূসের ঘনিষ্ঠদের দ্বারা পরিচালিত একটি অনুষ্ঠানে আওয়ামী ঘরানার সাংবাদিক ও নেতাদের দাওয়াত দেওয়া হয়— প্রকৃত সাংবাদিকদের নয়।

তিনি ব্যঙ্গ করে লেখেন, “গত ১০ মাসে আপনারা কী কী সংস্কার দেখেছেন? কিছুই না! তবুও দালাল ভাড়া করে এনে ক্যামেরার সামনে বলানো হয়— ‘স্যার, আপনি ৫ বছর থাকেন!’”
🔥 বিতর্কিত অবস্থান ও রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা
বিশেষজ্ঞদের মতে, ড. ইউনূসের কথিত ‘অন্তর্বর্তী সরকার’ এবং তাঁর বিদেশি সংযোগ ইতোমধ্যেই অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে রয়েছে দুর্নীতি, সুদ ব্যবসা, রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র এবং বিদেশি লবির মাধ্যমে সরকার উৎখাতের চেষ্টার অভিযোগ।
ব্রিটেনে সফররত ড. ইউনূস বিতর্ক- এই মুহূর্তে বেশ কয়েকটি সমস্যায় জড়িত। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে বৈঠক বাতিল হয়ে যাওয়ার পর তাঁর অবস্থান আরও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

আজকের কথা ডেস্ক