প্রিন্ট এর তারিখঃ সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩

ড. ইউনূসকে জনশত্রু বললেন পুষ্পিতা, ব্রিটিশ মন্ত্রীকে জানালেন বাংলাদেশ বাস্তবতা

সত্য কে মিথ্যা বলছেন 20250612 184114 0000
আজকের কথা ডেস্ক

পুষ্পিতা গুপ্তা আজ ব্রিটিশ পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন বিষয়ক সচিব ডেভিড ল্যামির সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেন। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বর্তমান অবস্থা এবং তথাকথিত নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিতর্কিত ভূমিকা।
এই বৈঠকে পুষ্পিতা গুপ্তা তুলে ধরেন—ড. ইউনূস কেবল একজন সমাজসেবক নন, বরং একটি জাতির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ধ্বংসের মূল কারিগর। তিনি বলেন, “গণতন্ত্রকে পেছনে টেনে ধরে রাখা এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করার একটি আন্তর্জাতিক কৌশলের অন্যতম মুখ ইউনূস।”

তিনি যুক্তরাজ্য সরকারের উচ্চপর্যায়ের এ প্রতিনিধিকে সরাসরি অবহিত করেন, কীভাবে ইউনূস এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ গোষ্ঠী বারবার দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ভারসাম্য বিনষ্টের চেষ্টা করেছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ইউনূস তার আন্তর্জাতিক প্রভাব খাটিয়ে পশ্চিমা বিশ্বে ভুয়া বর্ণনা ছড়াচ্ছেন এবং এতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

পুষ্পিতা গুপ্তা প্রশ্ন তোলেন—যে ব্যক্তি বাংলাদেশে কর ফাঁকি, শ্রমিক শোষণ ও বিচার ব্যবস্থাকে পাশ কাটানোর মতো গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত, তিনি কীভাবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নৈতিক অবস্থান দাবি করতে পারেন? তিনি ডেভিড ল্যামিকে আহ্বান জানান, এই ধরনের বিভ্রান্তিকর আন্তর্জাতিক প্রচারণার বিষয়ে যুক্তরাজ্য সরকার যেন সতর্ক থাকে এবং সঠিক বাস্তবতা যাচাই করে দেখে।

এই আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল, পুষ্পিতার বার্তা—“বাংলাদেশ এখন একটি নতুন বাস্তবতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। রাষ্ট্রীয় অগ্রগতি ও জনগণের ক্ষমতায়নের এ যাত্রায় বিদেশি রাজনীতিকদের উচিত নিরপেক্ষতা বজায় রাখা, পক্ষপাতদুষ্ট বিবৃতির বদলে তথ্যভিত্তিক অবস্থান নেওয়া।”

পুষ্পিতা গুপ্তা, যিনি সৌধা: সোসাইটি অব পোয়েট্রি অ্যান্ড ইন্ডিয়ান মিউজিক-এ যুক্ত থেকে লন্ডনের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সক্রিয় ছিলেন, এবার সরাসরি আন্তর্জাতিক রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ সংলাপে বাংলাদেশের তরফে প্রতিবাদী কণ্ঠ হিসেবে উপস্থিত হলেন।

আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের পক্ষে জোরালো অবস্থান তুলে ধরার জন্য পুষ্পিতা গুপ্তা ভবিষ্যতেও এ ধরনের বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রিন্ট করুন