
৫ আগস্ট বাংলাদেশে ছুটি ঘোষণার গুজব এবং সেই দিনকে ‘গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালনের অপচেষ্টার কড়া সমালোচনা করেছেন বিশিষ্ট লেখিকা ড. তসলিমা নাসরিন। তিনি ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, “৫ আগস্ট সারাদিন দেখলাম চোরেরা চুরি করছে, গণভবনে ঢুকে ঘৃণ্য কাজ করছে, নারীবিদ্বেষীরা অন্তর্বাস নিয়ে জঘন্য হাসি হাসছে।” তার মতে, এই দিনটি কোনোভাবেই গৌরবের হতে পারে না।
তসলিমা তার ফেসবুকের বক্তব্যে দাবি করেন, ৫ আগস্টকে ‘গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে দেখানো একটি বিকৃত প্রচার। তিনি বলেন, এই দিনটির প্রকৃত নাম হওয়া উচিত ‘জিহাদি উত্থান দিবস’ কিংবা ‘জাতীয় লুটপাট দিবস’। ওই দিনের ঘটনাগুলো বাংলাদেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে গভীর ক্ষত তৈরি করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, রাষ্ট্র যদি সত্যিকার ইতিহাসকে স্বীকার করতে চায়, তাহলে এই দিনটিকে ‘শোক দিবস’ হিসেবে পালন করা উচিত। কারণ সেই দিন দেশের নিরাপত্তা, গণতন্ত্র এবং নারীর মর্যাদার ওপর একাধিক আঘাত নেমে এসেছিল।
৫ আগস্ট তারিখটিকে তসলিমা নাসরিন কখনোই উদযাপনের দিন হিসেবে মানতে রাজি নন। বরং তিনি চান, রাষ্ট্রীয়ভাবে এই দিনটিকে ‘শোক দিবস’ হিসেবে পালন করা হোক। তার মতে, “যেদিন চুরি, লুট, নারীবিদ্বেষ আর জিহাদি ভাবধারার প্রকাশ ঘটে—সেদিন কেবল ঘৃণা ও প্রতিবাদের দিন হিসেবেই ইতিহাসে থাকা উচিত।”

