

উপজেলা প্রকৌশলীর কর্তৃত্ব অনুযায়ী, নতুন সরকারি ভবনের কক্ষ বরাদ্দের দায়িত্ব প্রকিউরমেন্ট এন্টিটির, অর্থাৎ উপজেলা প্রকৌশলী অফিসের। অথচ এই নিয়ম অমান্য করে লালমাইয়ে এক সাংবাদিকের সঙ্গে কথা কাটাকাটিকে ভুলভাবে উপস্থাপন করে প্রকৌশলী সাবরীন মাহফুজের বিরুদ্ধে মামলার হুমকির অভিযোগ তোলা হয়েছে।

প্রকৌশলী জানান, তিনি প্রকিউরমেন্ট এন্টিটির সেক্রেটারি হিসেবে নতুন ভবনের কক্ষ বরাদ্দ ও বণ্টনের দায়িত্বপ্রাপ্ত। “আমি ঠিক করবো কে কোথায় বসবে—এটা আমার প্রশাসনিক দায়িত্ব। ইউএনও শুধু ব্যবহারকারী, বরাদ্দদাতা নন,” বলেন তিনি।
এই বক্তব্য শুনে সাংবাদিক উত্তেজিত হলে কথোপকথনের পরিবেশ কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রকৌশলীর বক্তব্যের আংশিক ভিডিও ধারণ করে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হয় এবং দাবি করা হয়, তিনি নাকি সাংবাদিককে মামলার হুমকি দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রকৌশলী বলেন, “আমাকে না জানিয়ে ইউএনও সাহেব নিজেই রুমে উঠে গেছেন—এটা তো নিয়মবহির্ভূত। একজন প্রকৌশলী হিসেবে আমি দায়িত্ব পালন করেছি, হুমকি দিইনি।”
অন্যদিকে, লালমাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিমাদ্রি খীসা বলেন, “নতুন ভবনের কাজ এখনো অসম্পূর্ণ। বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস সংযোগ পুরোপুরি হয়নি, তাই কাউকে কোনো রুম বরাদ্দ দেওয়া হয়নি।”
এ থেকে পরিষ্কার বোঝা যায়, রুম বরাদ্দ সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো দপ্তর এককভাবে দায়িত্ব নিতে পারে না। সুনির্দিষ্ট দায়িত্ববণ্টন অনুযায়ী উপজেলা প্রকৌশলীর কর্তৃত্ব ছাড়া অফিস রুম ব্যবহারের সুযোগ নেই।
According to administrative protocol, the authority to allocate and distribute rooms in the new government building lies with the Upazila Engineer—not the UNO. Misleading narratives are being spread deliberately to distort this fact.