প্রিন্ট এর তারিখঃ মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার নগ্ন উদাহরণ শেখ হাসিনার সাজা : সাংবাদিক সুশান্ত দাস গুপ্ত

rapist 20250702 231240 0000
Mohammad Shariful Alam Chowdhury

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারন এখন আর পর্দার আড়ালে নেই, তা প্রকাশ্যে আদালতের রায় হয়ে সামনে আসছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আজ আদালত অবমাননার অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে — এই রায় নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সিনিয়র সাংবাদিক ও সম্পাদক সুশান্ত দাস গুপ্ত।

তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লিখেছেন, “যখন একটি সরকার সন্ত্রাস ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে উৎখাত হয় এবং সেই ষড়যন্ত্রকারীদের ছত্রছায়ায় অবৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত লোকেরা বিচারক ও প্রসিকিউটর সেজে বসে, তখন সেই রায় ন্যায়ের নয় — তা প্রতিহিংসারই রূপ।”

aitohumanizetextconverter.com

সুশান্ত দাস গুপ্ত আরও বলেন, “এই তথাকথিত বিচারপ্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব দেওয়া ব্যক্তিদের নেই কোনো গণতান্ত্রিক স্বীকৃতি বা সাংবিধানিক বৈধতা — আছে শুধু রাজনৈতিক আনুগত্য এবং ভয় দেখানো-ভিত্তিক দমন-পীড়নের দায়বদ্ধতা।”

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার
ছবি : দৈনিক আজকালের খবর পত্রিকার সৌজন্যে

তিনি লেখেন, “আমরা স্পষ্টভাবে বলছি — এটা আদালতের রায় নয়, আদালতের ভিতরে বসে থাকা অবৈধভাবে নিযুক্ত লোকদের সাজানো প্রতিহিংসার নাটক। ইতিহাস এই রায়কে চিহ্নিত করবে কালো অধ্যায় হিসেবে।”

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ফলে এখন বিচারব্যবস্থার মোড়কে লুকিয়ে থাকা অস্ত্র। এই রায়ের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে নয়, দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জনগণের রায়কেই অপমান করা হলো। সুশান্ত দাস গুপ্ত বলেন, “আমাদের প্রতিবাদ চলবে। আমরা শেখ হাসিনার পাশে আছি এবং থাকবো। কারণ একমাত্র জনগণের রায়ই আসল রায়।”

শেখ হাসিনার সাজার আপডেট

ছাত্র–জনতার গণ-অভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এই প্রথম কোনো মামলায় শেখ হাসিনার কারাদণ্ড হলো।

কয়েক মাস আগে ‘২২৬ জনকে হত্যার লাইসেন্স পেয়ে গেছি’—এমন একটি অডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে। অডিওর এ বক্তব্য শেখ হাসিনার উল্লেখ করে তিনি ও শাকিল আকন্দ বুলবুলের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আদালত অবমাননার মামলা করে প্রসিকিউশন। সেই মামলায় আজ চূড়ান্ত শুনানি শেষে রায় ঘোষণা করা হলো।

রায়ের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, আজ সাবমিশনে তাঁরা বলেছিলেন, শেখ হাসিনার তর্কিত যে কনভারসেশন, সেটি পুলিশের সিআইডির মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। তারা পরীক্ষা করে রিপোর্ট দিয়েছে, এখানে যে দুজন ব্যক্তির কনভারসেশন, তার একজন শেখ হাসিনা ও অন্যজন শাকিল আকন্দ বুলবুল। কনভারসেশনটি এআই জেনারেটেড নয়। অর্থাৎ প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি করা হয়নি। এটি জেনুইন একটি কনভারসেশন।

প্রিন্ট করুন