

নারী নেতৃত্ব কুমিল্লার প্রশাসনে আজ দৃঢ় বাস্তবতায় রূপ নিয়েছে। জেলার ১৭টি উপজেলার মধ্যে ৯টিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে কর্মরত রয়েছেন নারী কর্মকর্তারা। পাশাপাশি ভূমি প্রশাসনে ৮টি উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি)—এসিল্যান্ড হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন নারীরা। নারী নেতৃত্বের এই গর্বিত অগ্রযাত্রা বদলে দিচ্ছে জেলার প্রশাসনিক চিত্র।
হোমনা, মেঘনা, তিতাস, দাউদকান্দি, ব্রাহ্মণপাড়া, আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, মনোহরগঞ্জ ও লালমাই—এই ৯টি উপজেলার ইউএনও পদে আছেন নারী কর্মকর্তারা। তাদের অনেকেই শিশু অধিকার রক্ষা, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, মাদকবিরোধী অভিযানসহ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জনস্বার্থে ব্যাপক ভূমিকা রাখছেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উন্নয়ন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তারা প্রশংসিত কাজ করে যাচ্ছেন।

কুমিল্লার ৮টি উপজেলায় নারী এসিল্যান্ডরা মাঠপর্যায়ে ভূমি সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে সরাসরি ভূমিকা রাখছেন। দখল উচ্ছেদ, সরকারি সম্পত্তি রক্ষা, নামজারি, ভ্রাম্যমাণ আদালতসহ নানা বিষয়ে সক্রিয় তারা।
তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:
জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়সার বলেন, “নারীবান্ধব প্রশাসন গঠনে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কুমিল্লার নারী কর্মকর্তারা নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রশাসন তাদের পাশে আছে।”
তিনি আরও বলেন, “এই নারীরা শুধু দায়িত্ব পালন করছেন না, বরং সমাজের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন।”
নারী নেতৃত্ব কুমিল্লার প্রশাসনে এখন আর ব্যতিক্রম নয়—এটাই নতুন বাস্তবতা। নেতৃত্ব, মানবিকতা ও সাহসিকতায় তারা কুমিল্লাকে নিয়ে যাচ্ছেন এক নতুন দিগন্তে।