

কুমিল্লার মুরাদনগরে ধর্ষণ মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করতে রাষ্ট্রপক্ষ এক সপ্তাহ সময় নিয়েছে। সোমবার (১৪ জুলাই) দুপুরে রাষ্ট্রপক্ষের করা সময়ের আবেদন মঞ্জুর করেন হাইকোর্ট।
এদিন আদালতকে রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, এখনো তারা তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পায়নি, তাই প্রতিবেদন জমা দিতে সময় প্রয়োজন। পরে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি সৈয়দ জাহেদ মনসুরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সময়ের আবেদন মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ২৯ জুন কুমিল্লার মুরাদনগরে ধর্ষণ এবং নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায়, হাইকোর্ট তা অপসারণের নির্দেশ দেয়। একইসঙ্গে ভুক্তভোগী নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়।
এই ঘটনায় রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মীর একেএম নুরুন্নবী। রিটের পক্ষে তিনি নিজেই শুনানি করেন, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তানিম খান ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইকরামুল কবির।
পরে সাংবাদিকদের নুরুন্নবী বলেন, ‘আমি রিট করি কারণ এই ঘটনা অত্যন্ত নৃশংস ও লজ্জাজনক। হাইকোর্ট মামলার অগ্রগতি জানতে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন চেয়েছেন। ১৪ জুলাই সেই সময়সীমার শেষ তারিখ।’
তিনি আরও বলেন, ‘আদালত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সব ভিডিও ও ছবি সরাতে বলেছেন। একইসঙ্গে ভুক্তভোগীর চিকিৎসা ও নিরাপত্তার বিষয়েও নির্দেশ দিয়েছেন।’
উল্লেখ্য, গত ২৭ জুন দুপুরে মুরাদনগর থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী নারী। মামলায় ধর্ষণের পাশাপাশি ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগও করা হয়। ঘটনার প্রধান আসামি ফজর আলীসহ আরও কয়েকজনকে ইতোমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা সবাই কুমিল্লার মুরাদনগরের ধর্ষণ মামলার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।