খাগড়াছড়ি সাংবাদিক নির্যাতন ২০২৫: ডিবিসির প্রতিনিধি মিলন ত্রিপুরার ভিডিও-তথ্য মুছে ফেলা, মানবাধিকার ও গণমাধ্যমে নিন্দার ঝড়
খাগড়াছড়ি সাংবাদিক নির্যাতন ২০২৫ ঘটনাটি পার্বত্য চট্টগ্রামে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ভাইবোনছড়ায় সংঘটিত এক ধর্ষণের প্রতিবাদে আয়োজিত শান্তিপূর্ণ মিছিলে সেনাবাহিনীর নগ্ন হস্তক্ষেপ এবং সংবাদ সংগ্রহকালে ডিবিসি নিউজের সাংবাদিক মিলন ত্রিপুরাকে ধরে নিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
‘সচেতন আদিবাসী ছাত্র সমাজ ও যুবসমাজ’-এর ব্যানারে আয়োজিত এই শান্তিপূর্ণ মিছিলটি স্থানীয় ধর্ষণ ঘটনার নিন্দা ও বিচারের দাবিতে সংগঠিত হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি অনুযায়ী, সেনাবাহিনীর একটি দল হঠাৎ করে মিছিলে বাধা দেয় এবং কর্মসূচিকে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে।

সাংবাদিক মিলন ত্রিপুরা তখন পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, সেনা সদস্যরা তাঁকে আটক করে একটি অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে গিয়ে পাশবিক নির্যাতন চালায়। তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ও ক্যামেরা থেকে মুছে ফেলা হয় সংগ্রহ করা ভিডিও, ছবি ও তথ্যসমূহ।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে খাগড়াছড়ি জেলাসহ সারা দেশের সাংবাদিক সমাজ, মানবাধিকার সংগঠন এবং ছাত্র-যুব সংগঠনের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সহকর্মীরা বলছেন, মিলন ত্রিপুরা দীর্ঘদিন ধরে পার্বত্য জনজীবনের বিভিন্ন দুর্ভোগ ও অনিয়ম নিয়ে পেশাদার সাংবাদিকতা করে আসছেন। তাঁর ওপর এমন আক্রমণ গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি হামলা।
সাংবাদিক ইউনিয়ন ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত একটি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে হামলাকারীদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
খাগড়াছড়ি সাংবাদিক নির্যাতন ২০২৫ ঘটনাকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং মানবাধিকারের ওপর চরম আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভুক্তভোগীর জন্য বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে সারাদেশে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সাংবাদিক সমাজ ও অধিকারকর্মীরা।
🛑 এখনই সময় দাঁড়ানোর!
খাগড়াছড়ি সাংবাদিক নির্যাতন ২০২৫ কেবল একজন পেশাদার সাংবাদিকের ওপর বর্বরতা নয়—এটি গোটা গণমাধ্যম স্বাধীনতার ওপর হামলা। আমরা চুপ থাকলে, কাল এই হামলার শিকার হতে পারেন যেকোনো মানুষ। সঠিক বিচার ও দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে এখনই সোচ্চার হোন। প্রতিবাদ করুন, আওয়াজ তুলুন, সত্যের পক্ষে দাঁড়ান।

ফাহিমা বেগম প্রিয়া