কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক সংস্কার ২০২৫ প্রকল্পে দেবীদ্বারে সলিং উঠে গিয়ে গর্ত-খানাখন্দে রূপ নিয়েছে সড়ক, জলাবদ্ধতায় বাড়ছে জনদুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার আশঙ্কা
কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক সংস্কার ২০২৫ প্রকল্পের আওতায় দেবীদ্বার অংশে প্রায় এক হাজার মিটার সড়ক আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে সংস্কারের কাজ এখনো শেষ হয়নি, এরইমধ্যে উঠে যাচ্ছে ইটের সলিং, তৈরি হচ্ছে গর্ত। ‘ভুঁইয়া কনস্ট্রাকশন’ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অধীনে সড়ক ও জনপদ বিভাগ এ কাজ বাস্তবায়ন করছে। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাটি এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) সরেজমিনে দেখা গেছে, বৃষ্টির পানিতে সড়ক ডুবে যাচ্ছে, যানবাহন আটকে পড়ছে গর্তে। দুর্ঘটনার পাশাপাশি সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। পথচারীদের অভিযোগ, কাদাযুক্ত পানি ছিটকে তাদের পোশাক নষ্ট হচ্ছে।
ট্রাকচালক নায়েব আলী বলেন, “এই সমস্যা নতুন নয়। প্রতিবছরই এই অবস্থার মধ্য দিয়ে চলতে হয়। মাঝে মাঝে সওজের লোকজন সাময়িকভাবে ইট-সুরকি ফেলে গর্ত ঢাকে।”

স্থানীয় ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম বলেন, “দোকানদাররা সওজের জায়গায় মাল রেখে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে। সরু রাস্তায় পথচারীদেরও সমস্যা হচ্ছে।”
সিএনজি চালক আমির হোসেন জানান, “গর্তে পড়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার মুখে পড়তে হয়। বৃষ্টিতে গর্ত দেখা না যাওয়ায় ঝুঁকি বাড়ে।”
উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. সফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, “ভারী যান চলাচলের ফলে সলিং উঠে গেছে। তাই আমরা ময়নামতি থেকে দেবীদ্বার পর্যন্ত বিটুমিন ও ঢালাইসহ আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থার জন্য ২৬ কোটি টাকার প্রস্তাবনা পাঠিয়েছি।”
দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল হাসনাত খান বলেন, “সওজের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে এ বিষয়ে আলোচনা করেছি।”
কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক সংস্কার ২০২৫ বাস্তবায়নের আগেই কাজের গুণগত মান ও তদারকি ঘিরে প্রশ্ন উঠছে এলাকাবাসীর মধ্যে। দ্রুত স্থায়ী সমাধান চাচ্ছে সাধারণ মানুষ।
কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক সংস্কার ২০২৫ প্রকল্পের আওতায় দেবীদ্বার অংশে আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন সড়কের ইটের সলিং উঠে যাচ্ছে, সৃষ্টি হয়েছে গর্ত ও জলাবদ্ধতা। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তা দেবে যাচ্ছে, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি ও তদারকির অভাবের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। দীর্ঘমেয়াদি সমাধান দাবি করছে জনসাধারণ।

ফাহিমা বেগম প্রিয়া