জামায়াত সোহরাওয়ার্দী সমাবেশ ২০২৫ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের অবস্থান প্রশ্নবিদ্ধ
জামায়াত সোহরাওয়ার্দী সমাবেশ ২০২৫ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন। ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামীর মতো যুদ্ধাপরাধী সংগঠনকে সমাবেশের অনুমতি দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সংগঠনটি।
আজ শনিবার (১৯ জুলাই) এক বিবৃতিতে ছাত্র ইউনিয়নের (একাংশ) কেন্দ্রীয় সভাপতি মাহির শাহরিয়ার রেজা ও সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন শুভ বলেন, “৮ আগস্ট দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই অন্তর্বর্তী সরকারের মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অবস্থান স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য ভেঙে ফেলার মতো ঘটনায়ও সরকার ছিল নিশ্চুপ।”

বিবৃতিতে বলা হয়, “সোহরাওয়ার্দী উদ্যান হলো বিজয়ের প্রতীক। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর এখানেই আত্মসমর্পণ করেছিল পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসর জামায়াতে ইসলামী, রাজাকার, আলবদর, আলশামস। অথচ সেই একই স্থানে জামায়াতকে সমাবেশের অনুমতি দিয়ে ইতিহাসকেই অপমান করা হয়েছে।”
তারা আরও বলেন, পাঠ্যপুস্তকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি, সংজ্ঞা পরিবর্তনের চেষ্টা এবং মুক্তিযোদ্ধাদের “আওয়ামী দোসর” বলে উপস্থাপন—সবই মুক্তিযুদ্ধবিরোধী পরিকল্পনার অংশ। ছাত্র সমাজ এই ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে।
জামায়াত সোহরাওয়ার্দী সমাবেশ ২০২৫ নিয়ে ছাত্র ইউনিয়নের এই অবস্থান প্রমাণ করে—এই ঘটনায় দায় এড়াতে পারবে না অন্তর্বর্তী সরকার।

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী