প্রিন্ট এর তারিখঃ মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

লামায় আকাশমণি ও ইউক্যালিপটাস ধ্বংস অভিযান শুরু, চারা গুনে ক্ষতিপূরণ

IMG 20250723 WA0002
ফাহিমা বেগম প্রিয়া

লামায় আকাশমণি ও ইউক্যালিপটাস ধ্বংস অভিযান শুরু

লামায় আকাশমণি ও ইউক্যালিপটাস ধ্বংস অভিযান আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গড়ে ওঠা ১৭টি বেসরকারি নার্সারিতে উৎপাদিত ৬ লাখ ২৭ হাজার চারা ধ্বংস করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২২ জুলাই) বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে উপজেলার পশ্চিম শীলেরতুয়া পাড়ায় “মেসার্স সাইমুম নার্সারি”-র চারা ধ্বংসের মাধ্যমে অভিযান উদ্বোধন করেন লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মঈন উদ্দিন।

লামায় আকাশমণি
লামায় আকাশমণি ও ইউক্যালিপটাস ধ্বংস অভিযান শুরু, চারা গুনে ক্ষতিপূরণ।

সরকারিভাবে ক্ষতিপূরণ প্রদান

উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নার্সারিগুলোতে গিয়ে গাছের সংখ্যা গুনে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করছেন। এরপরই প্রতি চারা বাবদ ৪ টাকা করে সরকারি ক্ষতিপূরণ দিয়ে চারাগুলো ধ্বংস করা হচ্ছে। এ কর্মসূচি বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

কেন ধ্বংস করা হচ্ছে?

ইউএনও মঈন উদ্দিন বলেন, আকাশমণি ও ইউক্যালিপটাস গাছ অতিরিক্ত পানি শোষণ করে, ফলে আশপাশের উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে বাঁধা সৃষ্টি হয়।
লামা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামান সোহেল জানান, এসব গাছ মাটির উর্বরতা কমিয়ে ফেলে, তাই মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে চারা ধ্বংস করা হচ্ছে।

নার্সারির সংখ্যা ও পরবর্তী পদক্ষেপ

প্রথম ধাপে সাইমুম নার্সারির ১ লাখ ৫৫ হাজার চারা ধ্বংস করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে লামার বাকি নার্সারিগুলোর সব পরিবেশবিধ্বংসী চারা ধ্বংস করা হবে।

ধ্বংস অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ হিল মারুফ, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শাকিলা আক্তার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ময়নুল হোসেন, প্রেসক্লাব সভাপতি প্রিয়দর্শী বড়ুয়া ও সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান, জামায়াতের উপজেলা আমীর মো. ইব্রাহিম, নার্সারির মালিক মো. নুরুজ্জামান, ও সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা অভিজিৎ বড়ুয়া প্রমুখ।

প্রিন্ট করুন