আবেগঘন সাক্ষ্যে প্রিয়া বলেছেন, যখন কেউ পাশে দাঁড়ায়নি তখন রোরি পেক ট্রাস্টই একমাত্র ভরসা হয়েছিল।
বাংলাদেশি সাংবাদিক ফাহিমা বেগম প্রিয়া, দৈনিক আজকের কথা ও দৈনিক জয় বাংলার জয়-এর নির্বাহী সম্পাদক, প্রকাশ্যে জানিয়েছেন তাঁর গভীর কৃতজ্ঞতার কথা। তিনি বলেছেন, জীবনের কঠিন সময়ে রোরি পেক ট্রাস্টের সহায়তা তাঁর কাছে জীবনরক্ষার চেয়ে কম কিছু ছিল না।
আবেগঘন সাক্ষ্যে প্রিয়া বলেন, তাঁর সাংবাদিকতার দুর্দিনে কোনো ব্যক্তি বা সংগঠন পাশে দাঁড়ায়নি। একমাত্র রোরি পেক ট্রাস্টই তাঁর সহায়তায় এগিয়ে এসেছে।
“রোরি পেক ট্রাস্টের সহায়তা না পেলে হয়তো আজ আমি বেঁচে থাকতাম না। চিকিৎসার খরচের তুলনায় অনুদান অল্প হলেও তা আমাকে টিকিয়ে রেখেছে। সবচেয়ে অন্ধকার সময়ে তাদের এ সহায়তাই ছিল আশীর্বাদের মতো। আমি আজীবন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকব,” বলেন প্রিয়া।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বব্যাপী ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকদের জীবনে যে অবদান ট্রাস্ট রেখে চলেছে, তার জন্য প্রতিষ্ঠানটি নোবেল পুরস্কারের দাবিদার।
আগামী নভেম্বর লন্ডনে রোরি পেক ট্রাস্টের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে ফাহিমা বেগম প্রিয়ার এই সাক্ষ্য বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকদের জন্য এক শক্তিশালী অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে।

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী