সাবেক মন্ত্রী কায়কোবাদের ফোনেই ভরসা ফিরে পেল চার পরিত্যক্তা নারী, পাশে গণমাধ্যমকর্মী শরিফুল আলম চৌধুরী
বিএনপি নেতা কায়কোবাদের মানবিক উদ্যোগ মুরাদনগরের চার অসহায় নারীর জীবনে এক অনন্য আশার আলো জ্বালিয়েছে। দীর্ঘদিনের দুঃখ-দুর্দশার জীবনে তারা পেয়েছেন মানবতার ছোঁয়া, সহমর্মিতার উষ্ণতা।
শনিবার দুপুর ১২টার দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ও কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনের সাবেক পাঁচবারের এমপি এবং সাবেক মন্ত্রী আলহাজ্ব কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ নিজে ফোন করে এ প্রতিবেদককে জানান,
“চার নারীর বিষয়টি আমি ব্যক্তিগতভাবে দেখব এবং সহযোগিতার ব্যবস্থা করব।”
তার এই প্রতিশ্রুতির খবর পৌঁছাতেই চার নারী আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন। অনেকদিন পর কেউ তাদের খোঁজ নিয়েছে, কেউ বলেছে—“আমি পাশে আছি।” এ যেন তাদের জীবনে নতুন করে বেঁচে থাকার সাহস এনে দিয়েছে।
এই চার নারীই জীবনের কঠিন লড়াইয়ে অবিচল যোদ্ধা। সংসারে অভাব-অনটন, সংসার ভাঙনের দুঃখ, স্বামীর অবহেলা—সব কিছুর মাঝেও তারা সন্তানদের মুখের হাসি টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন। স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরীর মানবিক উদ্যোগে বিষয়টি প্রকাশ পায় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পাঠানো হয়।
অসহায় নারীদের পরিচয়:
১️⃣ সুমি আক্তার, পায়ব পশ্চিমপাড়া মাদ্রাসার বাড়ি, ইউনিয়ন ১৭ নং জাহাপুর।
২️⃣ তাছলিমা আক্তার, দারোরা গ্রাম, ইউনিয়ন ১৯ নং দারোরা।
৩️⃣ গৃহহীন হাসিনা বেগম, কাজিয়াতল মুন্সী বাড়ির পাশের বাড়ি, ইউনিয়ন ১৯ নং দারোরা।
৪️⃣ গৃহহীন লিপি আক্তার, লক্ষ্মীপুর গ্রামের মান্নানের বাড়ি, ইউনিয়ন ১৬ নং ধামঘর।
মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরীর উদ্যোগে এই চার নারীর জন্য চারটি সেলাই মেশিন ও অসহায় হাসিনা বেগম ও লিপি বেগমের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত বাড়ি নির্মান করে তা সরবরাহের আবেদন করা হয়। সাবেক মন্ত্রী কায়কোবাদের আশ্বাসের পর তাদের মুখে এখন নতুন আশার ঝিলিক।
ওই নারীরা বলেন,
“আমরা দান চাই না, শুধু নিজের পরিশ্রমে বাঁচার সুযোগ চাই।”
বিএনপি নেতা কায়কোবাদের মানবিক উদ্যোগ হয়তো তাদের জীবনে সেই সুযোগের দরজা খুলে দেবে—যেখানে সহানুভূতি ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে অন্ধকারের জায়গা নেবে আত্মসম্মান, আর বেঁচে থাকার নতুন সাহস।

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী