মেঘনা সংঘর্ষ: চাচা–ভাতিজার বিরোধে আহত ১৫, পাঁচটি ঘর ভাঙচুর
মেঘনায় সংঘর্ষ নিয়ে কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার মুগার চর গ্রামে চাচা–ভাতিজার দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নারী–শিশুসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে শান্তি মিয়া ও চান বাদশার বাড়ির সামনে এই ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। তিনজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মেঘনা সংঘর্ষ পূর্ববর্তী মামলা–মোকদ্দমার জের ধরে শুরু হয়। তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে পাঁচটি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. সাবরিনা জানান, ১১ জন চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। তিনজন গুরুতর আহত বলে স্বজনরা জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় শান্তি মিয়া পক্ষের খোরশেদা বেগম দাবি করেন, তার ছেলে শাহপরানকে আগের রাতে তুলে নিয়ে মারধর করা হয়। আজ বিষয়টি জানালে প্রতিপক্ষ হামলা চালায়। অন্যদিকে জহির দাবি করেন, চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়।
মেঘনা থানার ওসি আবদুল জলিল বলেন, পূর্ব বিরোধ থেকেই ঘটনাটি ঘটেছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসআই মশিউর রহমান জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষের কোনো পুরুষকে পাওয়া যায়নি, তবে ১০–১৫ জন আহত এবং পাঁচটি ঘর ভাঙচুরের তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
মেঘনায় সংঘর্ষ–এর পর স্থানীয় এলাকায় বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে পুলিশ জানিয়েছে।

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী