রাজনীতির বাইরে থেকেও অপপ্রচারের শিকার ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন—মুরাদনগরে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ
কুমিল্লা–৩ (মুরাদনগর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের প্রার্থিতা ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গুঞ্জন ও ষড়যন্ত্রের আলোচনা সামনে এসেছে। তবে এসব আলোচনায় আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুনকে জড়িয়ে যে অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
স্থানীয় রাজনৈতিক সূত্র ও নিকটজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন বর্তমানে সক্রিয় রাজনীতির বাইরে রয়েছেন এবং কোনো দলীয় বা নির্বাচনী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত নন। তাকে জড়িয়ে যে অভিযোগগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু মহলে ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে ছড়ানো মিথ্যাচার।
এর আগে স্থানীয়ভাবে অভিযোগ ওঠে যে, কায়কোবাদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইউসুফ সোহেল এবং এ নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের নাম আলোচনায় আসে। তবে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন বা তার দলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, নির্বাচনকে ঘিরে মুরাদনগরে শান্ত পরিবেশ থাকা সত্ত্বেও একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গুজব ছড়িয়ে ভোটের পরিবেশ উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে রাজনৈতিকভাবে নিষ্ক্রিয় ব্যক্তিদের নাম জড়িয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে, যা অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত, ভোটের মাঠে ব্যর্থতা আড়াল করতেই এখন চরিত্রহনন ও অপপ্রচারের পথ বেছে নেওয়া হচ্ছে। এতে শুধু ব্যক্তি নয়, পুরো এলাকার নির্বাচন পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

