

সাংবাদিক জাফর ইকবাল জানান, প্রথমে তিনি থানার কম্পিউটার অপারেটর মো. সেলিমের কাছে গেলে তাকে ডিউটি অফিসার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. আখতারুজ্জামানের কাছে পাঠানো হয়। তবে সেখানে গিয়ে আবার তাকে অপারেটরের কাছে ফিরে যেতে বলা হয়। এভাবে কয়েক দফা ঘোরাঘুরির পর বিরক্ত হয়ে তিনি নিজের সাংবাদিক পরিচয় দেন।
তিনি অভিযোগ করেন, পরিচয় দেওয়ার পর আখতারুজ্জামান তার আইডি কার্ড দেখতে চান এবং সেটি নিয়ে নিজের কক্ষে রেখে দেন। এ সময় তিনি বিষয়টি থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আহসান হাবিবকে ফোনে জানান। এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
একপর্যায়ে এএসআই আশরাফুল ও এসআই জহুরুল হক ঘটনাস্থলে আসেন। অভিযোগ রয়েছে, এর কিছুক্ষণ পর আখতারুজ্জামান এসে তার শার্টের কলার ধরে টানাহেঁচড়া করেন এবং তাকে লকআপে নেওয়ার চেষ্টা করেন। একই সঙ্গে তার মোবাইল ফোনও কেড়ে নেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী বলেন, “একজন সাংবাদিক হয়েও থানায় সবার সামনে আমাকে অপমান ও লাঞ্ছনার শিকার হতে হয়েছে। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়।”
ঘটনার পরপরই তিনি সহকর্মী ও প্রেস ক্লাব নেতাদের বিষয়টি জানান। তাদের পরামর্শে তিনি জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আব্দুল হালিম বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ ও সাংবাদিক—উভয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”