1. nagorikit@gmail.com : Mohammad Shariful Alam Chowdhury :
  2. sharifulchowdhury81@gmail.com : administrator :
  3. : Temp User : Temp User
নারী বীর মুক্তিযোদ্ধা সখিনা বেগম (৯৩) আর নেই। মঙ্গলবার ভোরে কিশোরগ  
বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৭ অপরাহ্ন
  •                      
ব্রেকিং নিউজ:
নিষিদ্ধের দিনেই উল্টো স্রোত,ফেসবুকে বিক্ষোভের ঝড়, আ’লীগে যোগ দিয়ে শক্ত বার্তা হারুন আল রশিদের! কুমিল্লা মেডিকেলে শিশুদের ‘গাদাগাদি’—দেড় বছর ধরে তালাবদ্ধ পড়ে ১০০ শয্যার শিশু হাসপাতাল! নিউইয়র্কে সড়ক দুর্ঘটনা: মুরাদনগরের বাবা-ছেলেসহ তিনজনের মৃত্যু ভুয়া ওয়ারেন্টে সাংবাদিক আটক—১৮ ঘণ্টা পর আদালতে মুক্তি, দেবীদ্বারে তোলপাড়! ৪৫ হাজার টাকার চাকরি, ৫৯ কোটির সাম্রাজ্য—পাসপোর্ট কর্মকর্তার সম্পদে চাঞ্চল্য! ৩ মাসে ২৫০ আগুন: কুমিল্লায় ফায়ার স্টেশন সংকটে বাড়ছে কোটি টাকার ক্ষতি ইউনূস ও আসিফ নজরুল ইস্যুতে তোলপাড়—নাঈম নিজামের পোস্টে উত্তপ্ত সোশ্যাল মিডিয়া ১০ বছরেও বিচারহীন তনু হত্যা—অবশেষে ৩ সন্দেহভাজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ আদালতের সুদখোর ড. ইউনূসসহ ২৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হলো ইতালির উপকূলে ভয়াবহ নৌকাডুবি, ১০৫ আরোহীর মধ্যে নিখোঁজ অন্তত ৭১

মারা গেলেন বীরযোদ্ধা সখিনা বেগম, যিনি একাই কুপিয়ে হত্যা করেছিলেন পাঁচ রাজাকারকে

রোমানা আক্তার
  • আপডেট করা হয়েছে মঙ্গলবার, ১৭ জুন, ২০২৫

সশস্ত্র প্রতিরোধের সাহসী প্রতীক, নারী বীর মুক্তিযোদ্ধা সখিনা বেগম (৯৩) আর নেই। মঙ্গলবার ভোরে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার বড়মাইপাড়া গ্রামে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। নিজের ভাগনেকে পাকিস্তানি সেনাদের হাতে শহীদ হতে দেখে প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে যুদ্ধে নামা এই নারী এক পর্যায়ে পাঁচ রাজাকারকে কুপিয়ে হত্যা করেন। তার ব্যবহৃত সেই দা আজো সংরক্ষিত আছে ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে।

কিশোরগঞ্জ জেলার হাওরাঞ্চলের নারী বীর মুক্তিযোদ্ধা সখিনা বেগমের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এক সাহসী অধ্যায়ের অবসান ঘটলো। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হিলচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাজহারুল হক নাহিদ।

১৯৭১ সালে যখন দেশব্যাপী মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়, তখন সখিনা বেগম সম্মুখযুদ্ধে যোগ না দিলেও পেছনের কৌশলগত ভূমিকায় অসামান্য অবদান রাখেন। বসু বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে রান্না, গোপন তথ্য সরবরাহ এবং রাজাকারদের গতিবিধি নজরে রাখা ছিল তার কাজ। পাকিস্তানি সেনাদের হাতে ধরা পড়েও কৌশলে পালিয়ে এসে সশস্ত্র প্রতিশোধে নামেন তিনি। তার হাতে খুন হওয়া পাঁচ রাজাকারের মৃত্যুর কাহিনি এখন ইতিহাসের অংশ।

নিজ জন্মস্থান নিকলীর গুরুই গ্রামে সখিনার কোনো আত্মীয়স্বজন না থাকায় তিনি দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে হিলচিয়ার বড়মাইপাড়ায় ভাগ্নির বাড়িতে বাস করছিলেন। মঙ্গলবার ভোর ৫টায় বার্ধক্যজনিত কারণে তার মৃত্যু হয়। আসরের নামাজের পর গুরুই ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে শাহী মসজিদের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

নারী বীর মুক্তিযোদ্ধা সখিনা বেগম ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের এক জীবন্ত অধ্যায়। তার সাহস, প্রতিশোধের দৃঢ়তা ও দেশপ্রেমের নজির নতুন প্রজন্মের কাছে এক অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। তাঁর রেখে যাওয়া ইতিহাস, বিশেষ করে রাজাকার নিধনে ব্যবহৃত সেই দা—আজও ঢাকায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে দাঁড়িয়ে আছে নীরব সাক্ষী হয়ে।

শেয়ার করুন
আরো সংবাদ পড়ুন
 

কপিরাইট © [২০২৫] দৈনিক আজকের কথা। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

এই ওয়েবসাইটের সকল লেখা, ছবি ও অন্যান্য কনটেন্ট কপিরাইট আইনের আওতাভুক্ত। প্রকাশকের ছাড়া কোনো অংশ পুনঃপ্রকাশ, বিতরণ বা সংরক্ষণ করা আইনত দণ্ডনীয়।

যোগাযোগ   আমাদের সম্পর্কে   শর্তাবলি ও নীতিমালা