সেনাবাহিনীর কড়া হুশিয়ারি: সারজিস আলম
রংপুরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ঘিরে সংঘর্ষ ও প্রতিরোধ
রংপুরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন রংপুর অঞ্চলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি, সাধারণ জনগণ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের অংশগ্রহণে এ আন্দোলন দিনে দিনে শক্তিশালী হচ্ছে। তবে সরকারদলীয় ও তাদের মিত্র রাজনৈতিক দলের সন্ত্রাসীদের হামলা এ আন্দোলন দমন করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন রংপুর হবে ইতিহাসের অনন্য দৃষ্টান্ত। এমনই মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি বলেছেন, “বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে আমরা এখনও যথেষ্ট সম্মানের জায়গায় রাখি, কিন্তু ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে তাদের স্পষ্ট অবস্থান এবং কার্যক্রম দেখতে চাই।”
রংপুরে জাতীয় পার্টি এবং আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় জাতীয় পার্টির সন্ত্রাসীদের হামলার ঘটনা নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। সারজিস আলম ফেসবুকে লিখেছেন, “রংপুরে অবৈধ নির্বাচনে পুনরায় মেয়র পদে আসার জন্য আওয়ামী লীগের পোষা বি টিম জাতীয় পার্টি ও তাদের সহযোগীরা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, জি এম কাদেরের বাসভবনে হামলার পর সেনাবাহিনী ৯ মাস ধরে যথাযথ অভিযান না চালিয়ে শুধু বাইক পোড়ানোর ঘটনা নিয়ে চাপ সৃষ্টি করছে, অথচ দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ মেয়র মোস্তফার দুর্নীতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অভিযান চালাচ্ছে না।
সারজিস আলমের বক্তব্য অনুযায়ী, “নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তার বি টিম জাতীয় পার্টি আবার ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, তাদের উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে হবে।” ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন রংপুর থেকে উৎপত্তি হবে এটা মেনে নেয়া যায়না।
রংপুরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন রংপুর অঞ্চলজুড়ে এক নতুন রাজনৈতিক চেতনার জন্ম দিয়েছে। এই আন্দোলনের মুখে সন্ত্রাসী হামলা, ভয়ের পরিবেশ এবং রাষ্ট্রীয় নির্লিপ্ততা—সবকিছুই গণতন্ত্রের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। জনগণ যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, তবে এই ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনই হতে পারে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণের পথপ্রদর্শক।





















