মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সারোয়ার তুষারের কথোপকথন স্বীকার করলেন এনসিপি নেত্রী, বললেন ‘আমি বারবার বিব্রত হয়েছি’

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫, ৪:৪৬ পিএম
সারোয়ার তুষারের কথোপকথন স্বীকার করলেন এনসিপি নেত্রী, বললেন ‘আমি বারবার বিব্রত হয়েছি’
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

রাজনীতিতে নারীকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর সংস্কৃতি যে কতটা ভয়াবহ ও বিব্রতকর হতে পারে, তারই একটি উদাহরণ হয়ে উঠেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেত্রী নীলা ইসরাফিলের স্বীকারোক্তি। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক অডিও বার্তায় সারোয়ার তুষার নামে এনসিপির এক নেতার সঙ্গে এক নারীর কথোপকথন ছড়িয়ে পড়লে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। শুরু হয় নেত্রীদের ঘিরে নানা ধরনের বিদ্রুপ ও কটাক্ষ। পরে এনসিপি নেত্রী নীলা ইসরাফিল নিজেই সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টে স্বীকার করেন, ভাইরাল হওয়া অডিওর নারী কণ্ঠটি তারই।

পোস্টে নীলা উল্লেখ করেন, তুষারের সঙ্গে প্রথমে সম্পর্ক সাংগঠনিক থাকলেও পরে সে বিভিন্ন ব্যক্তিগত অনুরোধ, যেমন “ঠোঁট সুন্দর”, “ছবি দাও” ইত্যাদি বলে আপত্তিকর আলাপে যুক্ত হয়। এ নিয়ে একাধিকবার বিব্রত হয়ে নীলা সম্পর্কটা ‘ফর্মাল’ রাখতে চাইলেও তুষার থামেননি। এক পর্যায়ে রমজান মাসে তুষার এক ‘চরম আপত্তিকর’ মন্তব্য করলে তিনি সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নেন।

নীলার ভাষায়, “বাংলাদেশের অসংখ্য নারী নেত্রী আজও ক্ষমতাবান পুরুষের আগ্রাসী আচরণ এড়াতে নিজেকে গুটিয়ে নিতে বাধ্য হন।”

রাজনীতিতে নারীকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর এই সংস্কৃতি যতদিন পরিবর্তন না হবে, ততদিন নীলা ইসরাফিলদের মতো অসংখ্য সাহসী নারীর এমন সত্য স্বীকারোক্তি ঘুরেফিরে আমাদের সমাজ ও রাজনীতির নগ্ন বাস্তবতাই উন্মোচন করে যাবে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও চাঁদাবাজির একাধিক মামলার আসামিকে আদালতে পাঠালো পুলিশ

দেবীদ্বারে ত্রাসের রাজত্ব, হত্যা-চাঁদাবাজিসহ ১১ মামলার আসামি আনিস মেম্বার গ্রেফতার

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৬:৩০ পিএম
দেবীদ্বারে ত্রাসের রাজত্ব, হত্যা-চাঁদাবাজিসহ ১১ মামলার আসামি আনিস মেম্বার গ্রেফতার

দেবীদ্বারে হত‍্যাসহ ১১ মামলার আসামী সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. আনিস মেম্বার। ছবি : এবিএম আতিকুর রহমান বাশার

দেবীদ্বারে ‘সন্ত্রাসের গডফাদার’ আনিস মেম্বার গ্রেফতার, ঝুলছে ১১ মামলা

কুমিল্লার দেবীদ্বারে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, সন্ত্রাসী হামলা ও চাঁদাবাজিসহ ১১ মামলার আসামি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. আনিসুর রহমান সরকার ওরফে আনিস মেম্বারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে তাকে কুমিল্লা আদালতে পাঠানো হয়।

গ্রেফতার আনিস মেম্বার উপজেলার রসুলপুর গ্রামের মৃত নজরুল ইসলাম সরকারের ছেলে। তিনি রসুলপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি।

এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

🔺 হত্যা, হামলা ও চাঁদাবাজিসহ ১১ মামলার আসামি আনিস মেম্বার গ্রেফতার
🔺 ছাত্র আন্দোলনের হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলায়ও রয়েছে অভিযোগ
🔺 অটোচালককে মারধর ও কুপিয়ে আহত করার মামলায় অভিযান চালায় পুলিশ
🔺 রুবেল-ছাব্বির হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলায় ছিলেন জামিনে
🔺 আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়েছে
  • পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রসুলপুর বাজার এলাকায় অটোরিকশাচালক মো. মামুনকে মারধর ও কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সোমবার (২৫ মে) তাকে গ্রেফতার করা হয়। মামলার বাদী ছিলেন আহত মামুনের স্ত্রী শারমিন আক্তারুজ্জামান।অভিযোগ রয়েছে, আনিস মেম্বার তার বাড়িতে দুটি সিমেন্টের বস্তা পৌঁছে দিতে বললে অন্যত্র ভাড়া থাকায় অটোচালক মামুন যেতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে বেধড়ক মারধর ও কুপিয়ে জখম করা হয়।এ ছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পুলিশের গুলিতে আহত শিক্ষার্থী আবুবকরকে হত্যাচেষ্টার মামলাতেও তাকে সন্দেহভাজন আসামি দেখানো হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আনিস মেম্বার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত রুবেল ও ছাব্বির হত্যা মামলাসহ আরও ৯টি মামলায় জামিনে রয়েছেন।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক ভবতোষ কান্তি দে বলেন, আনিস মেম্বার এলাকায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পান না।

    দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আনিস মেম্বারের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেফতারের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

বরগুনার আমতলীতে সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

রাতের আঁধারে খাল কাটার অভিযোগে তোলপাড়, গাছ কেটে সাবাড়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৩:৪১ পিএম
রাতের আঁধারে খাল কাটার অভিযোগে তোলপাড়, গাছ কেটে সাবাড়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

রাতের আঁধারে খাল খনন-গাছ কেটে সাবাড়, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ। ছবি : আজকের কথা

বরগুনার আমতলী উপজেলায় রাতের আঁধারে খাল খনন ও খালের দুই পাড়ের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে কুকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. কায়েসুর রহমান ফকুর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মঙ্গলবার বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আমতলী উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় গত এপ্রিল মাসে কুকুয়া ইউনিয়নের কালিপুরা খালের ২ হাজার ৫০০ মিটার খননের জন্য দরপত্র আহ্বান করে। প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির কাজ পান সাবেক চেয়ারম্যান কায়েসুর রহমান ফকু। গত ২০ মে থেকে খননকাজ শুরু হয়।

অভিযোগ রয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী সেচ দিয়ে খাল খননের কথা থাকলেও তা না করে রাতের আঁধারে দায়সারাভাবে ভরা খাল কাটা হচ্ছে। পাশাপাশি ভেকু মেশিন ব্যবহার করে খালের দুই পাড়ের অসংখ্য গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। স্থানীয়রা বাধা দিলেও কাজ বন্ধ হয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।

এলাকাবাসীর দাবি, রাতের আঁধারে খাল খননের নামে প্রকল্পের অর্থ লুটপাট করা হচ্ছে। এতে কৃষকদের কোনো উপকার হবে না, বরং পরিবেশ ও খালপাড়ের মানুষের ক্ষতি হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মাওলানা আব্দুল জব্বার, নাদিম আহম্মেদ, রাসেল ও খলিল অভিযোগ করে বলেন, সঠিক নিয়ম না মেনে খননকাজ করায় পুরো প্রকল্প প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। তারা দ্রুত অনিয়ম বন্ধ ও সঠিকভাবে খাল খননের দাবি জানান।

স্থানীয় বাসিন্দা মুনসুরা বেগম বলেন, তার কয়েকটি গাছ ভেকু মেশিন দিয়ে কেটে ফেলা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, গভীর রাতে খাল কাটার এমন দৃশ্য আগে কখনও দেখেননি।

এ বিষয়ে কুকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. আব্দুল আউয়াল ও তাসলিমা বেগম বলেন, সাবেক চেয়ারম্যান প্রভাব খাটিয়ে অনিয়ম করছেন। অভিযোগ জানানো হলেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাবেক চেয়ারম্যান কায়েসুর রহমান ফকু। তিনি দাবি করেন, উপজেলা প্রকৌশলীর পরিকল্পনা অনুযায়ীই কাজ করা হচ্ছে। তবে খননকাজে দু-একটি গাছ কাটা পড়েছে বলে স্বীকার করেন তিনি।

আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইদ্রিস আলী জানান, রাতের আঁধারে সেচ ছাড়াই খাল খননের অভিযোগ পেয়ে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সঠিক নিয়ম না মানলে প্রকল্প বাতিল করা হবে।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

উদ্ধার সাংবাদিক ও সংগঠনের পরিচয়পত্র

টেকনাফে সাংবাদিক পরিচয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা, টেকনাফে আটক ১

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ২:৩৮ পিএম
টেকনাফে সাংবাদিক পরিচয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা, টেকনাফে আটক ১

কক্সবাজারের টেকনাফে সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে ইয়াবা পাচারের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ছবি : আজকের কথা

কক্সবাজারের টেকনাফে সাংবাদিক পরিচয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় একটি মাইক্রোবাস থেকে ১৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় টেকনাফের হোয়াইক্যং চেকপোস্ট এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আটক ব্যক্তি হলেন টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের সিকদারপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ নুরের ছেলে মোহাম্মদ আনোয়ার (৫০)। তিনি পেশায় একজন চালক।

বিজিবি সূত্র জানায়, কক্সবাজারগামী একটি মাইক্রোবাস হোয়াইক্যং চেকপোস্টে পৌঁছালে বিজিবির সদস্যরা নারকোটিক্স ডগ ‘হেনরী’র সহায়তায় গাড়িটিতে তল্লাশি চালান।

তল্লাশির সময় চালক আনোয়ার নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চেকপোস্ট অতিক্রমের চেষ্টা করেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে অশোভন আচরণও করেন।

পরে গাড়ির সিট কভারের ভেতর তল্লাশি চালিয়ে ১৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় বাংলাদেশ নারী ও শিশু উন্নয়ন সোসাইটি এবং ‘দেশ সকাল’ নামের দুটি পরিচয়পত্রও জব্দ করা হয়।

উখিয়া ৬৪ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে ইয়াবার মূল সরবরাহকারী ও জড়িত চক্রকে শনাক্তে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×