যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার
মুরাদনগরে মাদক সম্রাট ফারুকসহ ৩ জনের কারাদণ্ড


কুমিল্লার মুরাদনগরে যৌথ অভিযানে মাদক সেবনের অপরাধে ‘মাদক সম্রাট’ খ্যাত ফারুকসহ তিনজনকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) দিবাগত রাতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর প্রযোজ্য ধারায় তাদের এই দণ্ডাদেশ প্রদান করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবিএম সারোয়ার রাব্বী। এ সময় মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরীসহ পুলিশের একাধিক টিম উপস্থিত ছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের গুঞ্জর গ্রামের মহরম আলীর ছেলে মো. ফারুক হোসেন ওরফে কালা ফারুক (৩৮), মুরাদনগর সদরের মধ্যপাড়ার হাজী আবদুর রশিদের ছেলে মো. হোসাইন (২৮) এবং মধ্যনগর গ্রামের মৃত ফরিদ মিয়ার ছেলে মো. শাহ আলম (৪৫)।
ভ্রাম্যমাণ আদালত ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ বাজারের পৈইয়াপাথর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদক সেবনরত অবস্থায় ফারুককে আটক করা হয়। পরে তাকে ২ হাজার টাকা জরিমানা ও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে মুরাদনগর থানায় মাদক ও চুরির ১২টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
একই রাতে মুরাদনগর সদর এলাকার মধ্যপাড়ায় পৃথক অভিযানে মাদক সেবনরত অবস্থায় মো. হোসাইন ও মো. শাহ আলমকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের প্রত্যেককে ১০০ টাকা জরিমানা ও ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
ইউএনও এবিএম সারোয়ার রাব্বী জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তাদের শাস্তি দেওয়া হয়েছে। মাদকের বিস্তার রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মুরাদনগর থানার ওসি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরী জানান, দণ্ডপ্রাপ্তদের কুমিল্লা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, মাদক, চুরি, ডাকাতি, ইভটিজিং ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে পুলিশ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করছে এবং এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
দুই দেখায় ৮ গোল, জয় নেই অস্ট্রিয়ার
৬ গোল, এক হ্যাটট্রিক, হার নেই; ৩৬ বছর পর আজ আবার আর্জেন্টিনা বনাম অস্ট্রিয়া

ম্যারাডোনার হ্যাটট্রিকের সেই প্রতিপক্ষ আজ আবার সামনে, ইতিহাস কি বলছে আর্জেন্টিনা–অস্ট্রিয়া লড়াইয়ে?
ফুটবলপ্রেমীদের জন্য আবারও অপেক্ষা আর্জেন্টিনা বনাম অস্ট্রিয়া দ্বৈরথের। আন্তর্জাতিক ফুটবলের ইতিহাসে খুব বেশি দেখা না হলেও দুই দলের পূর্ববর্তী লড়াইগুলোতে রয়েছে বেশ কিছু স্মরণীয় অধ্যায়। বিশেষ করে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ডিয়েগো ম্যারাডোনার একমাত্র আন্তর্জাতিক হ্যাটট্রিক আজও ফুটবল ইতিহাসের আলোচিত ঘটনাগুলোর একটি।
🔹 ৩৬ বছর পর আবার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা ও অস্ট্রিয়া।
🔹 দুই দলের আনুষ্ঠানিক দেখার সংখ্যা মাত্র ২টি।
🔹 আর্জেন্টিনা জিতেছে ১ ম্যাচ, অন্যটি হয়েছে ড্র।
🔹 দুই ম্যাচে আর্জেন্টিনার গোল ৬, অস্ট্রিয়ার ২।
🔹 ডিয়েগো ম্যারাডোনার একমাত্র আন্তর্জাতিক হ্যাটট্রিক এসেছিল অস্ট্রিয়ার বিপক্ষেই।
🔹 ইতিহাস বলছে, অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে এখনো অপরাজিত আলবিসেলেস্তেরা।
আর্জেন্টিনা ও অস্ট্রিয়ার মধ্যে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে মাত্র দুটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই দুই ম্যাচে মোট ৮টি গোল হয়েছে। এর মধ্যে আর্জেন্টিনা করেছে ৬ গোল, আর অস্ট্রিয়া করেছে ২ গোল। জয়ের পাল্লাও স্পষ্টভাবে আর্জেন্টিনার দিকেই ঝুঁকে আছে।
দুই দলের প্রথম সাক্ষাৎ হয়েছিল ১৯৮০ সালে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায়। সে সময়ের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা দুর্দান্ত এক প্রদর্শনীতে ৫-১ গোলের বড় জয় তুলে নেয়। ম্যাচটি ইতিহাসে স্থান করে নেয় মূলত ডিয়েগো ম্যারাডোনার কারণে।
ভিয়েনার সেই ম্যাচে ৬৭ হাজারের বেশি দর্শকের সামনে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৩ মিনিটে সান্তিয়াগো সান্তামারিয়া গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। ১০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লিওপোলদো লুকুয়ে।
এরপর ১৫ মিনিটে নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের পঞ্চম গোল করেন তরুণ ম্যারাডোনা। যদিও ২০ মিনিটে কুর্ট জারা একটি গোল শোধ করে অস্ট্রিয়াকে কিছুটা আশা দেখান। তবে দ্বিতীয়ার্ধে আবারও জ্বলে ওঠেন ম্যারাডোনা। আরও দুটি গোল করে পূর্ণ করেন হ্যাটট্রিক।
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, সেটিই ছিল ম্যারাডোনার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম এবং শেষ হ্যাটট্রিক। পরবর্তীতে জাতীয় দলের হয়ে একাধিকবার জোড়া গোল করলেও আর কখনো তিন গোল করতে পারেননি ফুটবলের এই কিংবদন্তি। ফলে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে করা সেই হ্যাটট্রিকই তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের একমাত্র হ্যাটট্রিক হিসেবে ইতিহাসে অমর হয়ে আছে।
দুই দলের দ্বিতীয় ও সর্বশেষ আনুষ্ঠানিক লড়াই অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯০ সালের ৩ মে। ভিয়েনাতেই অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা শুরুতেই ধাক্কা খায়। ম্যাচের ৩ মিনিটে মানফ্রেড জাকের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিক অস্ট্রিয়া।
তবে বেশিক্ষণ পিছিয়ে থাকতে হয়নি আর্জেন্টিনাকে। ম্যাচের প্রায় আধঘণ্টা পার হওয়ার আগেই হোর্হে বুরুচাগার গোলে সমতা ফেরায় আলবিসেলেস্তেরা। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে দুই দল।
আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যানে আর্জেন্টিনা ও অস্ট্রিয়ার মুখোমুখি রেকর্ডে এখন পর্যন্ত কোনো জয় নেই অস্ট্রিয়ার। দুই ম্যাচের একটিতে জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা, অন্যটি ড্র হয়েছে।
মুখোমুখি পরিসংখ্যান
- মোট ম্যাচ: ২
- আর্জেন্টিনার জয়: ১
- অস্ট্রিয়ার জয়: ০
- ড্র: ১
- আর্জেন্টিনার গোল: ৬
- অস্ট্রিয়ার গোল: ২
তবে ইতিহাসে দুই দলের একটি অনানুষ্ঠানিক ম্যাচের তথ্যও পাওয়া যায়। ১৯৬৬ সালের ২৫ জুন অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে ১-০ গোলে জয় পেয়েছিল অস্ট্রিয়া। তবে ম্যাচটি ফিফার স্বীকৃত পূর্ণ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হিসেবে গণ্য নয়।
সব মিলিয়ে আনুষ্ঠানিক রেকর্ডে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে এখনো অপরাজিত আর্জেন্টিনা। দুই দলের সর্বশেষ দেখার পর কেটে গেছে ৩৬ বছরেরও বেশি সময়। তাই আজকের লড়াই শুধু নতুন একটি ম্যাচ নয়, বরং ইতিহাসের পুরোনো হিসাব-নিকাশেরও নতুন অধ্যায়। ফুটবলপ্রেমীদের চোখ এখন মাঠে—অস্ট্রিয়া কি প্রথম জয় পাবে, নাকি আর্জেন্টিনা ধরে রাখবে নিজেদের অপরাজিত আধিপত্য?
সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আটক
মুরাদনগরে বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার, পরিবারের দাবি ‘গায়েবী মামলা’

কুমিল্লার মুরাদনগরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২০ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার পৃথক এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলা সদরের নিমাইকান্দি এলাকার মো. শফিকুল ইসলাম সরকারের ছেলে মোহাম্মদ শামীম সরকার (৪৪) এবং সদর ইউনিয়নের সোনাউল্লাহ (পূর্ব) গ্রামের মৃত জারু মিয়া বেপারীর ছেলে ইব্রাহিম সরকার (৪২)।
⚡ আলোচনার কেন্দ্রে মুরাদনগরে আওয়ামী লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। |
পুলিশ জানায়, গত ৬ জুন দায়ের হওয়া সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলার ভিত্তিতে শনিবার রাতে মুরাদনগর থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম অভিযান পরিচালনা করে তাদের নিজ নিজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে রোববার দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তবে গ্রেপ্তার দুই নেতার স্বজন ও পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন, মামলাটি ‘গায়েবী’ এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাদের দাবি, কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা ছাড়াই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তারা গ্রেপ্তারকৃত দুই নেতার মুক্তি এবং মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন।
পরিবারের সদস্যরা আরও বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মীকে বিভিন্ন মামলায় আসামি করা হচ্ছে। এ কারণে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ‘মব জাস্টিস’ বা জনতার হাতে আইন তুলে নেওয়া, গণপিটুনি এবং বিভিন্ন ধরনের গণসহিংসতার ঘটনা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন এসব ঘটনায় প্রাণহানি ও আহত হওয়ার ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আইনের শাসন ও বিচারিক প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়েছে। সংগঠনগুলোর মতে, বিচারবহির্ভূত সামাজিক প্রতিক্রিয়া বা জনতার বিচারের সংস্কৃতি আইনের শাসনের জন্য হুমকি হতে পারে।
অন্যদিকে পুলিশ বলছে, মামলার তদন্ত ও প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতেই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, “আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ শামীম সরকার ও ইব্রাহিম সরকারকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্তের অগ্রগতি অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মাঠে কাজ, প্রাণ গেল
সিংগাইরে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু

মাঠে কাজ করার সময় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার জামির্তা ইউনিয়নের কাঞ্চননগর এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
রোববার সন্ধ্যায় সিংগাইরের কাঞ্চননগর এলাকায় কৃষিকাজ করার সময় বজ্রপাতে
কবির হোসেন (৩০) ও শহিদুল ইসলাম (২৫) নামে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতরা হলেন কাঞ্চননগর গ্রামের নেওয়াজ উদ্দিনের ছেলে কবির হোসেন (৩০) এবং রফি মিস্ত্রির ছেলে শহিদুল ইসলাম (২৫)। তারা দুজনই কৃষিকাজের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, রোববার বিকেলে নিজ নিজ জমিতে কৃষিকাজ করছিলেন কবির ও শহিদুল। এ সময় হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টির মধ্যেই মাঠে অবস্থানকালে আকস্মিক বজ্রপাতে তারা গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাদের উদ্ধার করে সাভারের হেমায়েতপুর এলাকার জামাল ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে বজ্রপাতের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই বৈরী আবহাওয়ার সময় খোলা মাঠ, জলাশয় ও উঁচু স্থানে অবস্থান না করার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।





















