মবের নামে নাশকতার সুযোগ নেই এখন: সেনা কর্মকর্তার হুঁশিয়ারি, সন্দেহের চোখে দেখছেন অনেকে

জাতীয় পার্টি (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের রংপুরের বাসভবনে হামলার ঘটনার পর সেনাবাহিনী সরাসরি মাঠে নেমেছে। শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে সেনাবাহিনীর ৭২ পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হুমায়ুন কাইয়ুম নেতৃত্বে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও বিএনপি নেতাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ঘটনাস্থলে হাজির হন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমও।
⚠️ সেনা কর্মকর্তা হুমায়ুন কাইয়ুমের হুঁশিয়ারি: ‘মব’ এর নামে আর ছাড় নেই!
সারজিস আলমের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সময় ব্রিগেডিয়ার হুমায়ুন কাইয়ুম বলেন,
“শরীরে যতক্ষণ রক্ত আছে, উই আর নট গোয়িং টু প্রমোট এনিওয়ান হু ওয়ার্কস এগেইনস্ট দ্য কান্ট্রি। এখন যারা মব তৈরি করে, আগুন লাগায়, ঘরদোর ভাঙচুর করে, তাদের জন্য স্পষ্ট বার্তা—এখন আর এইসবের সুযোগ নেই।”
এই বক্তব্যে সেনাবাহিনীর অবস্থান যেমন পরিষ্কার, তেমনি রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে—এই ‘হুঁশিয়ারি’ কি বাস্তবায়নযোগ্য, নাকি স্রেফ আতঙ্ক সৃষ্টির কৌশল?
🔥 জি এম কাদেরের বাড়িতে হামলার পেছনে কে?
গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে রংপুর শহরের সেনপাড়ার ‘দ্য স্কাই ভিউ’ ভবনে জি এম কাদেরের উপস্থিতিতে হামলা ও ভাঙচুর চালায় একদল দুর্বৃত্ত। ভাঙচুর করে চেয়ার-টেবিল, জানালার কাচ ও গেট। ভেতরে থাকা নেতাকর্মীরা পাল্টা প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। এ ঘটনার পর শহরে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, এ হামলার জন্য সরাসরি জাপা নেতারা বিএনপি, এনসিপি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে দায়ী করছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ দায় স্বীকার করেনি।
❓ তদন্ত না দমন—কোনটি হচ্ছে?
শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে শহরের পায়রা চত্বরে ইমরান আহমেদ ও ইমতিয়াজ আহমেদ ইমতিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সেনাবাহিনী। বৃষ্টির মধ্যেই সশস্ত্র সেনা সদস্যরা কয়েকদফা তাদের বক্তব্য রেকর্ড করে। এ সময় স্থানীয় বিএনপি নেতারাও সেনাবাহিনীর নজরদারিতে পড়েন।
পরে রাত ২টার দিকে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে সেনাবাহিনী।
🗣️ সারজিসের মন্তব্য: ‘দিনের আলোয় ডাকলেই হতো’
জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা সারজিস আলম সাংবাদিকদের বলেন,
“তদন্তে সমস্যা নেই। কারা জড়িত, জানতেই হবে। কিন্তু রাত ১টা, ২টায় ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা—এটা একটা রাজনৈতিক বার্তা। দিনের বেলা অফিস আওয়ারে ডাকা যেত। আমরা সহযোগিতা করব, কিন্তু এভাবে না।”
তিনি আরও বলেন,
“এখন যদি কথিত ‘মব’ ঠেকাতে গিয়ে বিরোধীদের দমনের অস্ত্র হয় সেনাবাহিনীর ব্যবহার—তাহলে জনগণ সেটাও দেখতে পাবে।”
❗ সেনাবাহিনী মাঠে নামলেও, ‘মব’ কি সত্যিই থেমেছে?
সেনা কর্মকর্তার কড়া বক্তব্য সত্ত্বেও রাজপথে এখনো চলছে দফায় দফায় রাজনৈতিক সংঘাত, অঘোষিত মিছিল, এবং sporadic হামলা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে প্রশ্ন তুলছেন:
“আসলে কি সেনাবাহিনী নিরপেক্ষভাবে ব্যবস্থা নিচ্ছে, নাকি একপক্ষকে সুবিধা দিচ্ছে?”
একজন বামপন্থী ছাত্র নেতা ফেসবুকে লিখেছেন,
“একটা পক্ষ মব করলে দেশপ্রেম, অন্য পক্ষ করলে রাষ্ট্রদ্রোহ—এই নীতি চলতে থাকলে সেনাবাহিনীর হুঁশিয়ারি অর্থহীন।”
📌 সংক্ষেপে:
- ঘটনা: জি এম কাদেরের বাড়িতে হামলা
- সেনা প্রতিক্রিয়া: কঠোর হুঁশিয়ারি—‘মব’ আর সহ্য করা হবে না
- জিজ্ঞাসাবাদ: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, বিএনপি নেতাদের
- প্রতিক্রিয়া: বিরোধীদের সন্দেহ—এটি রাজনৈতিক শোডাউন
- প্রশ্ন: আসলেই কি সকল পক্ষকে সমানভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে?
✅ ট্যাগ:
জি এম কাদের, জাতীয় পার্টি, সেনাবাহিনী, রাজনৈতিক সহিংসতা, রংপুর, মব নাশকতা, বিএনপি, সারজিস, সেনা হুঁশিয়ারি, ছাত্র আন্দোলন
৪০ দিন বন্ধ উৎপাদন
গ্যাস সংকটে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানার

গ্যাস সংকটের কারণে চলতি অর্থবছরে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি দেশের বৃহত্তম ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা। টানা ৪০ দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ৮৫ হাজার মেট্রিক টন কম সার উৎপাদন হয়েছে বলে জানিয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষ।
প্রতিবেদনের হাইলাইটস
- গ্যাস সংকটে টানা ৪০ দিন উৎপাদন বন্ধ ছিল ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
- ৮.৫০ লাখ মেট্রিক টনের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ৭,৬৪,৫৩৫ মেট্রিক টন।
- লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ৮৫ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার কম উৎপাদিত হয়েছে।
- ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৯.৪০ লাখ মেট্রিক টন সার উৎপাদনের নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
- নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত হলে নতুন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আশা করছে কারখানা কর্তৃপক্ষ।
কারখানা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে গ্যাসের সংকটের কারণে দীর্ঘ ৪০ দিন উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অর্থবছর শেষে মোট উৎপাদন হয়েছে ৭ লাখ ৬৪ হাজার ৫৩৫ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানার মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. ফখরুল ইসলাম।
তিনি জানান, পরিবেশবান্ধব এই আধুনিক কারখানাটির দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন এবং বছরে প্রায় ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা সফলভাবে অর্জিত হলেও চলতি অর্থবছরে গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় উৎপাদনে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
কারখানা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় উৎপাদন কমে ৭ লাখ ৬৪ হাজার ৫৩৫ মেট্রিক টনে নেমে আসে। ফলে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ৮৫ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার কম উৎপাদিত হয়েছে।
তবে এ ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে নতুন অর্থবছরের জন্য উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে কর্তৃপক্ষ। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৯ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আশা, নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ এবং যন্ত্রপাতির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, এমনকি অতিক্রম করাও সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য, উৎপাদন শুরুর প্রথম বছরেই ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা ২৩২ কোটি ৬৯ লাখ টাকা নিট মুনাফা অর্জন করে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সরকারি মালিকানাধীন পাঁচটি ইউরিয়া সার কারখানার মধ্যে এটিই ছিল একমাত্র লাভজনক প্রতিষ্ঠান।
এর আগে দীর্ঘদিন লোকসানে থাকা দৈনিক ১ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষম ঘোড়াশাল সার কারখানা এবং ৩০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষম পলাশ সার কারখানা ভেঙে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর একীভূত ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা নির্মাণ করা হয়।
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)-এর অধীনে প্রায় ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১১০ একর জমির ওপর নির্মিত কারখানাটির উদ্বোধন করা হয় ২০২৩ সালের নভেম্বরে। পরে ২০২৪ সালের ১১ মার্চ বাণিজ্যিকভাবে ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু হয়। বর্তমানে কারখানাটির দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন, যা দেশের সার উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বন্যপ্রাণী সেবার উদ্ধার অভিযান
চা পাতা তুলতে গিয়ে অজগর, শ্রীমঙ্গলের চা বাগানে আতঙ্ক

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার একটি চা বাগানে চা পাতা সংগ্রহের সময় একটি অজগর সাপ দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন শ্রমিকরা। নিরাপত্তার স্বার্থে তারা তাৎক্ষণিকভাবে কাজ বন্ধ করে নিরাপদ স্থানে সরে যান। পরে বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাপটি উদ্ধার করেন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) সংলগ্ন ভুরভুরিয়া চা বাগানের সেক্টর-৯ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্রমিকরা নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে চা পাতা সংগ্রহ করছিলেন। এ সময় ঝোপের মধ্যে একটি বড় আকৃতির অজগর সাপ দেখতে পেয়ে তাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে তারা দ্রুত কাজ বন্ধ করে বাগান কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান।
খবর পেয়ে চা বাগানের ব্যবস্থাপক সিদ্দিকুর রহমান বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল এবং পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপদে অজগর সাপটি উদ্ধার করেন।
উদ্ধারকৃত অজগরটি পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সদস্যরা জানান, বন্যপ্রাণী দেখলে আতঙ্কিত না হয়ে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা এবং দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোই সবচেয়ে নিরাপদ পদক্ষেপ।
কৃষিজমি রক্ষায় কঠোর অভিযান
দেবীদ্বারে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে অভিযানে ২টি ড্রেজার ধ্বংস, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

কৃষিজমি, পরিবেশ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় কুমিল্লার দেবীদ্বারে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে দুটি অবৈধ ড্রেজার মেশিন ও প্রায় ২ হাজার ৫০০ ফুট পাইপ ধ্বংস করা হয়েছে। একই সঙ্গে এক ড্রেজার মালিককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অশোক বিক্রম চাকমা এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফয়সল উদ্দিনের নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, প্রথমে উপজেলার তুলাগাঁও গ্রামে অভিযান চালিয়ে একটি অবৈধ ড্রেজার এবং প্রায় এক হাজার ফুট পাইপ ধ্বংস করা হয়। পরে রামের দিঘিরপাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অবৈধভাবে ড্রেজার পরিচালনার দায়ে মো. আব্দুস ছামাদকে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে তাঁর ব্যবহৃত আরও একটি ড্রেজার এবং প্রায় এক হাজার ৫০০ ফুট পাইপ ধ্বংস করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ড্রেজারের মাধ্যমে কৃষিজমির মাটি কাটার কারণে ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় ভাঙন ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকিও বাড়ছিল। নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালিত হলে অবৈধ ড্রেজার ব্যবহার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা বলেন, কৃষিজমি ধ্বংস, খাল-বিল ও জলাশয়ের ক্ষতি এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে এমন কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। জনস্বার্থে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
























