সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩

পুলিশ নিয়ে চাঁদাবাজি: সাবেক এমপির স্বামীকে হুমকি, ১০ লাখ টাকা আদায়

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০২৫, ১১:১২ এএম
পুলিশ নিয়ে চাঁদাবাজি: সাবেক এমপির স্বামীকে হুমকি, ১০ লাখ টাকা আদায়
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

পুলিশ নিয়ে চাঁদাবাজি, ভয় দেখাতে পুলিশের ‘ট্রাম্প কার্ড’ ব্যবহার, গুলশান থেকে হাতেনাতে গ্রেফতার ৫

পুলিশ নিয়ে চাঁদাবাজি করে রাজধানীর গুলশানে সাবেক এক নারী সংসদ সদস্যের বাসা থেকে ১০ লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পাঁচ নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তদের মধ্যে অন্যতম হলো সংগঠনটির সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান ওরফে রিয়াদ।

ঘটনার দিন ১৭ জুলাই, রিয়াদ ও তার সঙ্গীরা ‘পলাতক আসামি আছে’—এই তথ্য দিয়ে পুলিশের একটি টিম নিয়ে যান গুলশানের সেই বাসায়। সেখানে গিয়ে তারা নিজেদের ‘সমন্বয়ক’ পরিচয় দেন। পুলিশ কোনো আসামিকে না পেয়ে ফিরে গেলে শুরু হয় আসল নাটক—বাসার কর্তা সিদ্দিক আবু জাফরকে হুমকি দিয়ে দাবি করা হয় ১০ লাখ টাকা চাঁদা, না হলে তাকে মামলায় ফাঁসানো ও গ্রেফতারের ভয় দেখানো হয়।

বিশ্বাসযোগ্য সূত্র বলছে, মূল উদ্দেশ্য ছিল আতঙ্ক সৃষ্টি করে চাঁদা আদায়। পুলিশকে সামনে রেখে নিজেদের ক্ষমতা দেখিয়ে আদায় করা হয় মোটা অঙ্কের টাকা। এ ঘটনার পর আরও দুই দফা ৪০ লাখ টাকা দাবি করতে আবারও ওই বাসায় যায় অভিযুক্তরা। হুমকি চলে মুঠোফোনেও।

পুলিশ নিয়ে চাঁদাবাজি
ভয় দেখাতে পুলিশের ‘ট্রাম্প কার্ড’ ব্যবহার, গুলশান থেকে হাতেনাতে গ্রেফতার ৫

পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অপারেশন্স) মো. নজরুল ইসলাম জানান, “এই ছেলেরা ভয় দেখানোর জন্য পুলিশকে ‘ট্রাম্প কার্ড’ হিসেবে ব্যবহার করেছে। এরপরই টাকা আদায় করেছে।” পুলিশ তথ্য পেয়ে নজরদারি শুরু করে। অবশেষে গত শনিবার যখন ফের চাঁদা নিতে আসে অভিযুক্তরা, তখনই হাতেনাতে ধরা হয় তাদের।

রাত ৮টার দিকে গুলশান থেকে রিয়াদসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে গুলশান থানায় মামলা হয়, যেখানে আরও ১০–১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। পাঁচ গ্রেফতারকৃত আসামির মধ্যে চারজনের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে এবং একজন কিশোর হওয়ায় তাকে পাঠানো হয়েছে টঙ্গীর কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে।

পুলিশ নিয়ে চাঁদাবাজি যে নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে, এই ঘটনা তার বড় প্রমাণ। এখন প্রশ্ন—এই ছাত্রনেতাদের পেছনে রয়েছে কারা?

Call to Action 

1. 🔊 অন্যায় দেখলে চুপ থাকবেন না!
পুলিশ ব্যবহার করে চাঁদাবাজির এই ভয়ঙ্কর কৌশল বন্ধ করতে প্রয়োজন আপনার সচেতনতা।
👉 প্রতিবাদ করুন, শেয়ার করুন!

2. 📢 আমরা কি এভাবেই ভীত থাকব?
ভুয়া ক্ষমতা দেখিয়ে টাকা আদায়—এটা চরম অপরাধ!
✊ অপরাধীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। আপনার মতামত দিন নিচে।

3. 🛑 ছাত্রনেতা না চাঁদাবাজ?
পুলিশকে ট্রাম্প কার্ড বানিয়ে চাঁদাবাজির ঘটনায় আপনি কী ভাবছেন?
💬 কমেন্ট করুন, শেয়ার করে সবাইকে জানান!

4. ⚠️ এসব আর চলতে দেওয়া যায় না!
সাংবাদিকতা ও জনমতই পারে এই ধরনের চাঁদাবাজির অপকৌশল থামাতে।
📤 প্রতিবেদনটি শেয়ার করে সচেতনতা বাড়ান।

5. 🚨 অপরাধীরা মুখোশ পরে আসে।
এই প্রতিবেদন ছড়িয়ে দিন যেন আর কেউ এমন প্রতারণার শিকার না হয়।
👉 এখনই শেয়ার করুন!

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

0 0 votes
রেটিং দিন।
Subscribe
Notify of
guest
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
Newest Most Voted

ভিডিও ফুটেজে মিলল সূত্র

আবু বকর হত্যা চেষ্টা মামলায় দেবীদ্বারে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৭:৩৭ পিএম
আবু বকর হত্যা চেষ্টা মামলায় দেবীদ্বারে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় স্কুলছাত্র আবু বকরের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যা চেষ্টা মামলায় দেবীদ্বারের সাবেক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. আলাউদ্দিন ফকিরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্ত সংশ্লিষ্ট ভিডিও ফুটেজ ও স্থিরচিত্র বিশ্লেষণের ভিত্তিতে তাকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

কুমিল্লার দেবীদ্বারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে স্কুলছাত্র আবু বকরের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা হত্যা চেষ্টা মামলায় সাবেক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. আলাউদ্দিন ফকিরকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২২ জুন) সকালে তাকে আটক করা হয়। পরে বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ফোকাস: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় স্কুলছাত্র আবু বকরের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যা চেষ্টা মামলায় দেবীদ্বারের সাবেক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. আলাউদ্দিন ফকিরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্ত সংশ্লিষ্ট ভিডিও ফুটেজ ও স্থিরচিত্র বিশ্লেষণের ভিত্তিতে তাকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত আলাউদ্দিন ফকির দেবীদ্বার পৌর এলাকার বালিবাড়ি গ্রামের ফকির বাড়ির বাসিন্দা। তিনি সাবেক পৌর কমিশনার মরহুম আবু হানিফের ছেলে।

রাজনৈতিকভাবে তিনি সাবেক সংসদ সদস্য রাজী মোহাম্মদ ফখরুলের সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এছাড়া ২০২৩ সালে দেবীদ্বার পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগ কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দেবীদ্বার নিউমার্কেটের মজুমদার প্লাজায় অবস্থিত তার নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘আলাউদ্দিন ইলেকট্রিক’ থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে কুমিল্লা আদালতে পাঠানো হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় দেবীদ্বার কলেজ রোড এলাকায় স্কুলছাত্র আবু বকরকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।

ওই ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীর বাবা মো. আবুল খায়ের বাদী হয়ে কুমিল্লার আদালতে মামলা দায়ের করেন।

মামলায় কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম আজাদ, তার ভাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মামুনুর রশিদসহ এজাহারভুক্ত ৭৩ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়। মামলায় মো. আলাউদ্দিন ফকিরকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আহত আবু বকর এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ বিষয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়কার ভিডিও ফুটেজ ও স্থিরচিত্র পর্যালোচনা করে আবু বকর হত্যা চেষ্টা মামলায় আলাউদ্দিন ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

ফুটপাত-নালা উদ্ধার নির্দেশ

নালা দখল করে দোকান নির্মাণ, ক্ষোভ ঝাড়লেন সিডিএ চেয়ারম্যান

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৬:২৮ পিএম
নালা দখল করে দোকান নির্মাণ, ক্ষোভ ঝাড়লেন সিডিএ চেয়ারম্যান

ফুটপাত ও পানি নিষ্কাশনের নালা দখল করে অবৈধভাবে দোকানপাট নির্মাণের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন। সোমবার সকালে অক্সিজেন-কুয়াইশ সড়কের সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

চেয়ারম্যানের কঠোর বার্তা

✅ ফুটপাত ও নালা দখলমুক্ত করার নির্দেশ
✅ অবৈধ স্থাপনা অপসারণে ব্যবস্থা নেওয়া হবে
✅ দোকানের সামনে বর্জ্য ফেললে জরিমানা
✅ নালা বন্ধ করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করলে ছাড় নয়
✅ প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা

সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, সড়কের দুই পাশে অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ফুটপাত দখল করে রেখেছে। কোথাও কোথাও নালার মুখ ময়লা-আবর্জনা ও স্থাপনা দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ায় বৃষ্টির পানি স্বাভাবিকভাবে নিষ্কাশিত হতে পারছে না। ফলে সড়কে পানি জমে দ্রুত রাস্তার ক্ষতি হচ্ছে।

তিনি বলেন, “অপকর্ম করবে কিছু মানুষ, আর দায় নিতে হবে সিডিএকে—এটা হতে পারে না। রাস্তার পানি যে পথে নালায় যাওয়ার কথা, সেই পথই অনেক জায়গায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এতে জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে।”

বেলায়েত হোসেন জানান, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ইতোমধ্যে ফুটপাতের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, নালা উন্মুক্তকরণ এবং পানি চলাচল স্বাভাবিক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দোকানের সামনে রাখা অবৈধ ভ্যানগাড়ি সরিয়ে নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হবে।

তিনি বলেন, “আমাদের প্রকৌশলীরা যেভাবে রাস্তা ও নালার নকশা তৈরি করেছেন, সেগুলো ঠিকভাবে রক্ষা না করলে পানি জমবেই। পরে সেই দায় এসে পড়ে সিডিএর ওপর। বাস্তবে আমরা নিজেরাই অনেক সময় সমস্যার জন্ম দিচ্ছি।”

স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও বাসিন্দাদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দোকানের সামনে ময়লা-আবর্জনা, পলিথিন ও বর্জ্য ফেলা যাবে না। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের সামনের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব সংশ্লিষ্টদেরই নিতে হবে।

পরিদর্শনকালে তিনি সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ আনোয়ারুল নজরুল ও সচিব মাহবুবউল করিমকে নালার ওপর অবৈধভাবে নির্মিত ঢালাই অপসারণ, দখলমুক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় স্থানে নতুন স্ল্যাব স্থাপনের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি পরিবেশ দূষণ ও ময়লা ফেলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে জরিমানাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

৩৫ মিনিটে নিয়ন্ত্রণে আগুন

চট্টগ্রাম বন্দরের আরটিজি ক্রেনে আগুন, পুড়ল কন্টেইনারের পণ্য; ক্ষয়ক্ষতির হিসাব শুরু

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী, সম্পাদক : প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৬:১৩ পিএম
চট্টগ্রাম বন্দরের আরটিজি ক্রেনে আগুন, পুড়ল কন্টেইনারের পণ্য; ক্ষয়ক্ষতির হিসাব শুরু

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) এলাকায় একটি রাবার টায়ার্ড গ্যান্ট্রি (আরটিজি) আরটিজি ক্রেনে আগুন লাগার মতো ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দুপুরে টার্মিনালের দক্ষিণ অংশে আগুনের সূত্রপাত হলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পাশের কয়েকটি কন্টেইনারে। ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও নৌবাহিনীর যৌথ প্রচেষ্টায় প্রায় ৩৫ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

       গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • এনসিটির ৪ নম্বর বার্থে আরটিজি ক্রেনের ইঞ্জিনে আগুনের সূত্রপাত
  • ৩৫ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে বন্দর ফায়ার সার্ভিস
  • পাশের একাধিক কন্টেইনার ক্ষতিগ্রস্ত
  • চীন থেকে আসা ফ্রিজভর্তি একটি কন্টেইনারের পণ্য পুড়ে গেছে
  • বিকেল সোয়া ৪টা থেকে পুনরায় শুরু হয় পণ্য ওঠানামা

বন্দর সূত্রে জানা যায়, সোমবার এনসিটির দক্ষিণ অংশের ৪ নম্বর বার্থে কন্টেইনার স্থানান্তরের কাজে ব্যবহৃত ১৪ নম্বর রাবার টায়ার্ড গ্যান্ট্রি (আরটিজি) ক্রেনের ইঞ্জিনে হঠাৎ আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের তাপ পাশের কয়েকটি কন্টেইনারেও ছড়িয়ে পড়ে।

আগুনের খবর পেয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম শুরু করে। পরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফায়ার ইউনিট ঘটনাস্থলে যোগ দেয়।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. নাসির উদ্দিন জানান, অগ্নিকাণ্ডের পর সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টায় দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। নিরাপত্তার স্বার্থে আগুন লাগা ৩ নম্বর ইয়ার্ডের একটি অংশ ঘিরে রাখা হলেও বিকেল সোয়া ৪টা থেকে সংশ্লিষ্ট জেটিতে জাহাজ থেকে পণ্য ওঠানামা পুনরায় শুরু হয়।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত কন্টেইনারগুলোর মধ্যে বিশ্বের অন্যতম শিপিং কোম্পানি এমএসসির (মেডিটেরানিয়ান শিপিং কোম্পানি) একটি ৪০ ফুট দীর্ঘ আমদানিকৃত কন্টেইনার রয়েছে। কন্টেইনারটিতে চীন থেকে আনা শার্প ব্র্যান্ডের ফ্রিজ সংরক্ষিত ছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, কন্টেইনারটি ২০২৫ সালের ২৬ এপ্রিল দেশে এলেও দীর্ঘদিন ডেলিভারি না নেওয়ায় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ সেটিকে নিলামের তালিকাভুক্ত করেছিল। নিলামে বিক্রির আগেই অগ্নিকাণ্ডে কন্টেইনারের অধিকাংশ পণ্য পুড়ে গেছে।

এক প্রত্যক্ষদর্শী কর্মকর্তা জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণের পর কন্টেইনার খুলে দেখা যায় ভেতরের প্রায় সব ফ্রিজই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে বড় কনটেইনার টার্মিনাল হিসেবে পরিচিত নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ। এখানে একসঙ্গে পাঁচটি জাহাজ ভেড়ানো যায় এবং বন্দরের মোট কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের প্রায় অর্ধেক এই টার্মিনালের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ২০০৭ সালে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ টার্মিনালে পরবর্তীতে প্রায় ১,২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও ১৪টি কি-গ্যান্ট্রি ক্রেন সংযোজন করা হয়।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×
CLOSE X
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x