বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

৩ মাসে ২৫০ আগুন: কুমিল্লায় ফায়ার স্টেশন সংকটে বাড়ছে কোটি টাকার ক্ষতি

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৪ এএম
৩ মাসে ২৫০ আগুন: কুমিল্লায় ফায়ার স্টেশন সংকটে বাড়ছে কোটি টাকার ক্ষতি

সংবাদের মূল সারসংক্ষেপ

  • “বৈদ্যুতিক গোলযোগেই ৪৪ শতাংশ আগুন, তিন মাসে ক্ষতি ৭ কোটি টাকার বেশি” চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে কুমিল্লা জেলায় অন্তত ২৫০টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
  • এর মধ্যে অধিকাংশই বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
  • কুমিল্লা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সূত্র জানায়, জানুয়ারি মাসে ৭৯টি, ফেব্রুয়ারিতে ৬৫টি এবং মার্চে ৯৪টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

“বৈদ্যুতিক গোলযোগেই ৪৪ শতাংশ আগুন, তিন মাসে ক্ষতি ৭ কোটি টাকার বেশি”

চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে কুমিল্লা জেলায় অন্তত ২৫০টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে অধিকাংশই বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

কুমিল্লা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সূত্র জানায়, জানুয়ারি মাসে ৭৯টি, ফেব্রুয়ারিতে ৬৫টি এবং মার্চে ৯৪টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। জেলার ১৩টি ফায়ার স্টেশন থেকে মোট ২৩৮টি ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে। এসব ঘটনায় প্রায় ৭ কোটি ৩০ লাখ ২৩ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, ২৩৮টি অগ্নিকাণ্ডের মধ্যে ১০৭টি ঘটেছে বৈদ্যুতিক গোলযোগে। এছাড়া বিড়ি-সিগারেটের আগুন থেকে ২৪টি, চুলা থেকে ৩৫টি, গ্যাস সিলিন্ডার থেকে ১১টি, গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে ৭টি এবং মশার কয়েল থেকে ৯টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। অন্যান্য কারণের মধ্যে শত্রুতামূলক অগ্নিসংযোগ, উত্তপ্ত ছাই ছড়িয়ে পড়া এবং অসতর্কতা রয়েছে।

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, মোট অগ্নিকাণ্ডের প্রায় ৪৪ শতাংশই বৈদ্যুতিক ত্রুটিজনিত। বাকি ঘটনাগুলোর পেছনে মানুষের অসচেতনতা বড় কারণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

এদিকে এপ্রিল মাসের শুরুতে চৌদ্দগ্রামে বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং সম্প্রতি জেলার জাঙ্গালিয়া বাস টার্মিনালে একসঙ্গে তিনটি বাসে আগুন লাগার ঘটনা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মার্চ মাসে লাকসাম, বুড়িচং ও নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বাড়িঘর, মাদরাসা ও দোকানপাটে একাধিক অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

জেলায় ১৭টি উপজেলার মধ্যে ১১ উপজেলায় ১৩টি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন রয়েছে। বাকি ৬ উপজেলায় এখনো কোনো স্টেশন নেই। ফলে দূরবর্তী এলাকা থেকে ফায়ার সার্ভিস পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা বলছেন, অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি কমাতে বৈদ্যুতিক ও গ্যাস সংযোগ নিয়মিত পরীক্ষা করা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বাসাবাড়ি ও প্রতিষ্ঠানে ফায়ার এক্সটিংগুইশার রাখা জরুরি। এছাড়া জরুরি প্রয়োজনে ফায়ার সার্ভিসের হটলাইন ১০২ অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ সংবাদের জন্য যুক্ত থাকুন:
সম্পাদকীয় নোট

প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী

সম্পাদক- দৈনিক আজকের কথা
এলাকার খবর

‘যেখানে এনসিপি, সেখানেই গণধোলাই’—বিএনপি নেতার নির্দেশ

আজকের কথা ডেস্ক : প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১৫ পিএম
‘যেখানে এনসিপি, সেখানেই গণধোলাই’—বিএনপি নেতার নির্দেশ

ডার্বি নাসীরকে ঘিরে উত্তপ্ত রাজনৈতিক বক্তব্য

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ দলটির নেতাকর্মীদের যেখানে পাওয়া যাবে, সেখানে ‘গণধোলাই’ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ বক্তব্য দেন।

সমাবেশে এমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কিছুদিন ধরে বিভিন্ন বক্তব্য দিয়ে আসছেন। সম্প্রতি তিনি তিন দাবি মেনে নেওয়া হলে ঢাকা শহরে আর কোনো ককটেল ফুটবে না বলে মন্তব্য করেছেন। বিএনপি নেতা ওই বক্তব্যকে ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

তিনি আরও বলেন, শুধু নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নন, এনসিপির অন্য নেতাদের বক্তব্যও রাজনৈতিক পরিবেশ নষ্ট করছে। তাদের প্রতিহত করা না গেলে দিন দিন তাদের ‘আস্ফালন’ বাড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এ সময় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, “তাদের যেখানেই পাওয়া যাবে, সেখানেই গণধোলাই দিতে হবে।”

পরে নিজের বক্তব্যের বিষয়ে গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ এনসিপির অন্য নেতারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জড়িয়ে যে বক্তব্য দিচ্ছেন, তা শিষ্টাচারবহির্ভূত। এ ধরনের বক্তব্যের পর বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এনসিপি নেতাদের সতর্ক করে তিনি বলেন, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার দায় তাদেরই বহন করতে হবে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান ঢাকা শহরে ককটেল বিস্ফোরণ নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার কারণে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এনসিপির মিছিল শেষে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছিলেন, তাঁদের তিন দাবি মেনে নেওয়া হলে ঢাকা শহরে আর ককটেল ফুটবে না।

দেবীদ্বারে সাজেদা ফাউন্ডেশনের ১২০০ চারা বিতরণ

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৮ পিএম
দেবীদ্বারে সাজেদা ফাউন্ডেশনের ১২০০ চারা বিতরণ

সবুজ-শ্যামল দেবীদ্বার গড়ার প্রত্যয়

আগামী প্রজন্মের জন্য সবুজ-শ্যামল, সুন্দর ও বাসযোগ্য দেবীদ্বার গড়ে তোলার লক্ষ্যে সাজেদা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে দেবীদ্বার পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর মোল্লাবাড়িতে অবস্থিত সাজেদা ফাউন্ডেশন প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচিতে ফাউন্ডেশনের ১৬০ জন উপকারভোগী সদস্যের মাঝে ফলজ, বনজ ও কাঠজাতীয় বিভিন্ন প্রজাতির মোট ১ হাজার ২০০টি চারা বিতরণ করা হয়। বিতরণ করা চারার মধ্যে ছিল আম, কাঁঠাল, ডালিম, লটকন, সেগুন, কাঠবাদামসহ বিভিন্ন জাতের গাছ।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বাংলাদেশ গ্রাম আদালতের দেবীদ্বার উপজেলা সমন্বয়কারী সাইফুল করিম খান, দেবীদ্বার থানার এএসআই মো. ইয়াকুব, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা এটিএম রাশেদুজ্জামান সরকার, সূচনা ফাউন্ডেশন কুমিল্লার আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মো. আব্দুস সালাম, এলাকা ব্যবস্থাপক মো. সোহেল রানা, এলাকা হিসাব ব্যবস্থাপক মো. নাসির উদ্দিন এবং সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার ইসমাইল হোসেন।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সাজেদা ফাউন্ডেশনের দেবীদ্বার শাখা ব্যবস্থাপক দুলাল তুর্কী ও কুমিল্লা অঞ্চলের এগ্রিকালচার প্রোগ্রাম অফিসার রেদওয়ানুল হক। এ সময় ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও উপকারভোগী সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে অতিথিরা বলেন, বৃক্ষের চারা বিতরণের এ উদ্যোগ একদিকে যেমন জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখবে, অন্যদিকে ফলজ গাছের মাধ্যমে পরিবারের পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ভবিষ্যতে আয় বৃদ্ধির সুযোগও তৈরি হবে।

তবে শুধু চারা বিতরণ করলেই হবে না—গাছগুলো সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার জন্য নিয়মিত পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য উপকারভোগীদের নিজ নিজ চারার যত্ন নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

সাজেদা ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা জানান, কুমিল্লা অঞ্চলের ৩ হাজার ৫০০ উপকারভোগী সদস্যের মধ্যে মোট ২০ হাজার বৃক্ষের চারা বিতরণের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। দেবীদ্বারের এ কর্মসূচি সেই বৃহত্তর উদ্যোগেরই অংশ।

দেবীদ্বারের জুট মিলের ১৩ টন যন্ত্রাংশ পাচারের অভিযোগ, ২ ট্রাকসহ গ্রেফতার ৮

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০৯ পিএম
দেবীদ্বারের জুট মিলের ১৩ টন যন্ত্রাংশ পাচারের অভিযোগ, ২ ট্রাকসহ গ্রেফতার ৮

চান্দিনায় ট্রাক আটকে ফাঁস হলো দেবীদ্বারের জুট মিলের ১৩ টন যন্ত্রাংশ পাচারের অভিযোগ

বন্ধকী সম্পদ সরানোর সময় দুই ট্রাক জব্দ

কুমিল্লার দেবীদ্বারে সোনালী ব্যাংক পিএলসির কাছে বন্ধকীকৃত উষা জুট স্পিনার্স লিমিটেডের প্রায় ১৩ টন যন্ত্রাংশ পাচারের চেষ্টার অভিযোগে আটজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় ১২ হাজার ৯৫৫ কেজি স্পিনিং মেশিনের যন্ত্রাংশ ও বিভিন্ন মালামালসহ দুটি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে দেবীদ্বার উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের আসাদনগর এলাকায় অবস্থিত উষা জুট স্পিনার্স লিমিটেডের ভেতর থেকে এসব মালামাল বের করে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সোনালী ব্যাংক পিএলসির ঢাকা স্থানীয় কার্যালয়ের কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা বাদী হয়ে দেবীদ্বার থানায় মামলা করেন। মামলায় এজহারনামীয় ১২ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫ থেকে ৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।

গ্রেফতার আটজন হলেন—ট্রাকচালক মো. রনি (২০), হেলপার ইয়াকুব মুন্সি (১৯), চালকের সহযোগী সুলতান (৩৪), অপর ট্রাকের চালক শাহআলম (৩২), হেলপার আরাফাত (১৮) এবং কথিত পাচারকাজের সহযোগী ফরহাদ হোসেন (৫০), মো. মকবুল হোসেন (৭৪) ও মো. নুরুল আমিন (৩৭)।

মামলায় মিলের মালিকপক্ষের আবুল বাশার ও সায়রা হায়দারসহ আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সোনালী ব্যাংক পিএলসির স্থানীয় কার্যালয়, ঢাকার মামলাকৃত ও শ্রেণীকৃত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠান উষা জুট স্পিনার্স লিমিটেডের বিরুদ্ধে অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ (সংশোধন ২০১০) অনুযায়ী ২০২৪ সালের ২০ মার্চ অর্থঋণ আদালতে মামলা করা হয়। মামলাটির নম্বর ১০০১/২০২৪।

অভিযোগ রয়েছে, মঙ্গলবার রাতে মিলের মালিকপক্ষ ব্যাংকের কাছে বন্ধকীকৃত সম্পত্তির বিপুল পরিমাণ মালামাল মিল থেকে বের করে ট্রাকে করে অন্যত্র নেওয়ার চেষ্টা করে।

মালামাল নিয়ে দুটি ট্রাক দেবীদ্বার থেকে চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া ইউনিয়নের সোনাপুর এলাকায় পৌঁছালে স্থানীয় জনতা সুমনের ভাঙারি দোকানের সামনে ট্রাক দুটি আটক করে। খবর পেয়ে চান্দিনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ট্রাক দুটি নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং চালক ও সহযোগীদের আটক করে।

পরে আটক ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

জব্দ করা মালামালের মধ্যে ঢাকা মেট্রো-ট-১৮-১০৮৩ নম্বর ট্রাক থেকে ৮ হাজার ৫৫ কেজি স্পিনিং মেশিনের যন্ত্রাংশ এবং ঢাকা মেট্রো-ন-২১-৫৩৫৮ নম্বর ট্রাক থেকে ৪ হাজার ৯০০ কেজি স্পিনিং মেশিনের মোটর ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়। দুটি ট্রাক থেকে মোট ১২ হাজার ৯৫৫ কেজি মালামাল জব্দ করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল দেবীদ্বার থানা এলাকায় হওয়ায় চান্দিনা থানা পুলিশ জব্দ করা ট্রাক ও মালামাল এবং আটক ব্যক্তিদের দেবীদ্বার থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

দেবীদ্বার থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

×
ENG