

২২ মাস পর দায়িত্বে ফিরলেন সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার মধ্যনগর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সঞ্জিব রঞ্জন তালুকদার টিটু এবং চামারদানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর খসরু। প্রায় এক বছর ১০ মাস পর পুনরায় স্বপদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তারা। হাইকোর্টের নির্দেশনা ও স্থানীয় সরকার বিভাগের সিদ্ধান্তের পর জেলা প্রশাসন তাদের প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতা ফিরিয়ে দিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ এবং দীর্ঘদিন ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমে অনুপস্থিত থাকার কারণে দুই চেয়ারম্যানের প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়। এরপর সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদগুলোর দৈনন্দিন প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রম প্যানেল চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছিল।
হাইলাইটস: প্রায় ২২ মাস পর হাইকোর্টের রায়ের আলোকে মধ্যনগর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সঞ্জিব রঞ্জন তালুকদার টিটু এবং চামারদানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর খসরু পুনরায় দায়িত্বে ফিরেছেন। জেলা প্রশাসনের আদেশে তাদের প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতা পুনর্বহাল করা হয়েছে। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তারা কার্যক্রমের বাইরে থাকলেও আদালতের নির্দেশনার পর ১৮ জুন থেকে নিজ নিজ ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন।
পরে চেয়ারম্যান সঞ্জিব রঞ্জন তালুকদার টিটু ও মো. আলমগীর খসরু পৃথকভাবে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের পক্ষে রায় দেন। আদালতের নির্দেশনা এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের আলোকে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার শাখা গত ১৭ জুন পৃথক দুটি অফিস আদেশ জারি করে তাদের পুনরায় দায়িত্ব পালনের অনুমতি প্রদান করে।
আদেশ অনুযায়ী, মো. আলমগীর খসরু চামারদানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সঞ্জিব রঞ্জন তালুকদার টিটু মধ্যনগর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে পুনরায় প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতা ফিরে পেয়েছেন।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান সঞ্জিব রঞ্জন তালুকদার টিটু ও চেয়ারম্যান মো. আলমগীর খসরু বলেন, “নিজ নিজ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে পূর্ণ দায়িত্ব ফিরে পেতে আমরা হাইকোর্টে পৃথক রিট পিটিশন দায়ের করেছিলাম। প্রায় ১ বছর ১০ মাস পর আদালত আমাদের পক্ষে রায় দিয়েছেন। পরবর্তীতে হাইকোর্টের নির্দেশনা এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের সিদ্ধান্তের আলোকে জেলা প্রশাসন আমাদের পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের অনুমতি দিয়েছে।”
তারা আরও জানান, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) থেকে নিজ নিজ ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান হিসেবে প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করেছেন।