বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে তীব্র আন্তর্জাতিক সমালোচনা

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০২৫, ২:০২ এএম
বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে তীব্র আন্তর্জাতিক সমালোচনা
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ক্ষোভ

বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বর্তমানে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছরের কার্যক্রমে গণমাধ্যমের ওপর যে দমন-পীড়ন চলেছে, তা বিশ্বজুড়ে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংস্থা সিপিজে (কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস) চলতি মাসের শুরুতে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, “বাংলাদেশের নেতারা সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, অথচ বহু সাংবাদিক আজ জেলে।” একইসঙ্গে ইউনেসকো ঢাকায় আয়োজিত বিশ্ব প্রেস স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে উদ্বেগ জানিয়ে বলেছে, ক্রমবর্ধমান সেন্সরশিপ, আর্থিক চাপ, আইনি হুমকি, লিঙ্গ বৈষম্য ও অপরাধীদের দায়মুক্তি পরিস্থিতিকে ভয়াবহ করছে।

বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা
বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা

নোয়াখালির সাইফুল্লা কামরুল ও বরিশালের আখতার ফারুক শাহীন সরাসরি অনুষ্ঠানে তাদের ঝুঁকিপূর্ণ কাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। ইউনেসকোর বাংলাদেশ প্রধান ড. সুসান ভিজ বলেন, “সাংবাদিকদের নিরাপদ ও স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ তৈরি করার এখনই সময়।”

একই দিনে প্রকাশিত আরেক প্রতিবেদন অনুসারে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম আট মাসে ৬৪০ জন সাংবাদিককে টার্গেট করা হয়েছে। ১৮২ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, ২০৬ জন শারীরিক হামলার শিকার হয়েছেন এবং ৮৫ জনের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে।

⚖️ উচ্চপর্যায়ের সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

সিপিজের প্রতিবেদনটি শুরু হয়েছে একাত্তর টিভির সাবেক সাংবাদিক ফারজানা রূপা-এর দুরবস্থার বর্ণনা দিয়ে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা, আইনজীবী না পাওয়া এবং জামিন না হওয়া- সবই আন্তর্জাতিক মহলে শঙ্কা তৈরি করেছে। তার স্বামী, একই চ্যানেলের সাবেক হেড অব নিউজ শাকিল আহমেদও কারাগারে।

শ্যামল দত্ত ও মোজাম্মেল হক বাবু-সহ আরও দুই প্রখ্যাত সাংবাদিক কারাগারে রয়েছেন। সিপিজে মনে করে, তাদের আগের রাজনৈতিক অবস্থানকে কেন্দ্র করে এই মামলাগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

সিপিজের এশীয় পরিচালক বেহ লিইহ ওয়াইয়ি বলেন, “কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ ছাড়াই চারজন নামী সাংবাদিককে কারাগারে আটক রাখা সরকারের সংস্কার প্রতিশ্রুতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।” তিনি মনে করিয়ে দেন, প্রকৃত সংস্কার মানে অতীতের ভুল থেকে সরে আসা, তার পুনরাবৃত্তি নয়।

🌐 আশাভঙ্গের বাস্তবতা

লন্ডনভিত্তিক বিশ্লেষক প্রিয়জিৎ দেব সরকার বলেন, ড. ইউনূসের সরকার দ্বিতীয় স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে গণমাধ্যমের শৃঙ্খল আরও দৃঢ় হয়েছে। ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন বহাল রয়েছে, বরং নতুন বিধিনিষেধ চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

২০২৫ সালের মার্চে বরিশালে দিনের আলোয় সাংবাদিকদের মারধর, ঢাকায় রিপোর্টার্স ইউনিটির সামনেও হামলার ঘটনা, নারী সাংবাদিকের গণধর্ষণ, রাফিয়া তামান্না ও সাজেদুল ইসলাম সেলিমের ওপর হামলা—এসব ঘটনাই প্রমাণ করে, পরিস্থিতি ভয়াবহ।

দৈনিক প্রথম আলোর রাজশাহী অফিসে হামলা, সাংবাদিক কামরুজ্জামানকে মোবাইল কোর্টে ১০ দিনের সাজা, রুবেল হোসেইনের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানকালে খুনের মামলা, দীপ্ত টিভির সম্প্রচার বন্ধ, এটিএন বাংলার সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত করা—সবই গণমাধ্যম দমনের ধারাবাহিকতা।

বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এখন এক সংকটময় মুহূর্তে। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা এবং মর্যাদা রক্ষা করা এখন শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়, জাতীয় অস্তিত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার প্রশ্ন।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

সারা দিন অপেক্ষায় কাটল বাজার

মুরাদনগরের হাটে ৭ লাখ টাকার বিশাল গরু, ক্রেতা না পেয়ে ফিরল খামারি হতাশায়

রোমানা আক্তার প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৯:৪২ এএম
মুরাদনগরের হাটে ৭ লাখ টাকার বিশাল গরু, ক্রেতা না পেয়ে ফিরল খামারি হতাশায়

মুরাদনগরের ৭ লাখ টাকার গরু এক বুক আশা আর দুশ্চিন্তার দোলাচল নিয়ে সোমবার সকালে কুমিল্লার এক পশুর হাটে হাজির হন এক সাধারণ খামারি। সঙ্গে ছিল তাঁর অতি আদরের, নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করা ১৭ থেকে ১৮ মণের বিশাল আকৃতির একটি গরু। আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে গরুটির দাম তিনি হাঁকান ৭ লাখ টাকা।

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার পাচকিত্তা এলাকার বাহেরচর গ্রাম থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে গরুটি স্থানীয় বাজারে আনা হয়। সকাল থেকেই এটি হাটুরেদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। বাজারের অন্য সব গরুর তুলনায় এর আকার, উচ্চতা এবং রাজকীয় শারীরিক গঠন ছিল সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম।

হাটে আসা শত শত মানুষ গরুটিকে একনজর দেখতে ভিড় জমায়। কেউ কেউ পিঠে হাত বুলিয়ে আদর করে, কেউ আবার বিস্ময়ভরা চোখে মোবাইলে ছবি তোলে। কিন্তু সেই ভিড়ের মাঝেও গরুর মালিক হৃদয় খান খুঁজছিলেন এমন একজন ক্রেতাকে, যিনি তাঁর যত্নে বড় করা প্রাণীটির প্রকৃত কদর বুঝবেন।

দিন গড়িয়ে দুপুর, দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়। হাটের কোলাহল বাড়লেও খামারির মনে আশা ধীরে ধীরে ভেঙে পড়তে থাকে। ভিড় থাকলেও ৭ লাখ টাকার বিশাল অঙ্ক শুনে কেউই কেনার সাহস দেখাননি, এমনকি দরদাম করতেও এগিয়ে আসেননি কেউ।

বাহেরচর গ্রামের খামারি হৃদয় খান আক্ষেপ করে বলেন, “সকাল থেকে একটা আশায় বসে ছিলাম। কত মানুষ আসলো, দেখলো, ছবি তুললো। কিন্তু কেউ একটা বারের জন্যও দামাদামি করতে এগিয়ে আসলো না। এতো সাধের গরুটা কেউ নিতে পারলো না, এই কষ্ট বোঝানো যাবে না।”

বিকেলের সূর্য যখন পশ্চিমে হেলে পড়ছিল, তখন হাটের ছোট ও মাঝারি গরুগুলো বিক্রি হয়ে একে একে খালি হয়ে যায়। অথচ সবার নজর কাড়া সেই বিশাল গরুটি এক কোণে দাঁড়িয়ে শান্ত চোখে তার মালিকের দিকে তাকিয়ে থাকে। দিনশেষে কোনো ক্রেতা না পেয়ে, এক বুক হতাশা আর ক্লান্ত শরীর নিয়ে গরুটি আবারও বাড়ির চেনা গোয়ালে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হন তিনি।

স্থানীয়রা জানান, বড় গরুর প্রতি ক্রেতাদের আকর্ষণ সবসময়ই থাকে। কিন্তু বর্তমান বাজার পরিস্থিতি এবং মানুষের সীমিত ক্রয়ক্ষমতার কারণে শখ আর সাধ্যের মধ্যে বড় ব্যবধান তৈরি হয়েছে। মধ্যবিত্ত বা উচ্চ-মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের পক্ষে এককভাবে এত বড় অঙ্কের টাকা খরচ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

অন্যদিকে বড় গরু হাটে নিয়ে আসার পেছনে খামারিদের যেমন বড় বিনিয়োগ থাকে, তেমনি বিক্রি না হলে লোকসানের ঝুঁকিও বাড়ে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শুধু একটি গরু বিক্রি না হওয়ার গল্প নয়, বরং বর্তমান বাজার বাস্তবতার এক নির্মম চিত্র। খামারিদের পরিশ্রম ও ভালোবাসার আর্থিক মূল্য থাকলেও ক্রেতার সামর্থ্যের সঙ্গে সমন্বয় না হলে এমন দৃশ্য আরও বাড়তে পারে। হৃদয় খানের মতো অনেক খামারি এখন তাকিয়ে আছেন ঈদের শেষ মুহূর্তের বাজারের দিকে, কোনো ক্রেতার সঙ্গে তাদের স্বপ্নের মিলনের আশায়।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

বড় ব্যবধানে সহজ জয় নিশ্চিত

গুজরাটকে উড়িয়ে কোহলির বেঙ্গালুরু টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:৪৭ এএম
গুজরাটকে উড়িয়ে কোহলির বেঙ্গালুরু টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে

গুজরাটকে উড়িয়ে কোহলির বেঙ্গালুরু প্রথম কোয়ালিফায়ারে গুজরাট টাইটান্সকে ৯২ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার আইপিএল ফাইনালে উঠেছে রজত পাতিদার ও বিরাট কোহলির দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।

ধর্মশালায় টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেটে ২৫৪ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে বেঙ্গালুরু। ইনিংসের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন ব্যাটাররা। বিরাট কোহলি ২৫ বলে ৪৩ রান করে দলকে ভালো ভিত গড়ে দেন।

দেবদূত পাডিক্কেল ও কোহলি ৩৮ বলে ৭২ রানের জুটি গড়েন। এরপর রজত পাতিদার ও ক্রুনাল পান্ডিয়া ৪৭ বলে ৯৫ রানের ঝড়ো জুটি উপহার দেন।

ক্রুনাল পান্ডিয়া ২৮ বলে ৪৩ রান করেন। তবে ম্যাচের নায়ক হয়ে ওঠেন অধিনায়ক রজত পাতিদার। তিনি ৩৩ বলে ৫ চার ও ৯ ছক্কায় ৯৩ রানে অপরাজিত থাকেন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে গুজরাট টাইটান্স। ২৭ রানের মধ্যে দুই ওপেনার ফিরে যান। দ্রুত উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে দলটি।

জস বাটলার ২৯ রানের ইনিংস খেললেও তা যথেষ্ট হয়নি। ৩৭ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারিয়ে বড় ধস নামে গুজরাটের ইনিংসে।

রাহুল তেয়াতিয়া ৩৩ বলে ফিফটি তুলে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। তবে ১৯ ওভার ৩ বলে ১৬২ রানে অলআউট হয়ে যায় গুজরাট।

শেষ পর্যন্ত গুজরাটকে উড়িয়ে কোহলির বেঙ্গালুরু দাপুটে পারফরম্যান্সে ৯২ রানের বিশাল জয় তুলে নিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে জায়গা করে নেয়।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

ধানখেতে নির্মম হত্যাকাণ্ডে ধরা

বগুড়ায় দেবরকে কুপিয়ে হত্যা: ভাবি ও প্রেমিক গ্রেপ্তার

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:২৭ এএম
বগুড়ায় দেবরকে কুপিয়ে হত্যা: ভাবি ও প্রেমিক গ্রেপ্তার

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় রাজমিস্ত্রী শাহ আলম (৩৫) হত্যার ঘটনায় তাঁর ভাবি আরিফা বেগম (৩২) ও একই গ্রামের শাহিন শেখ ওরফে সায়েম (৩২)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার সংসারদীঘি গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
আরিফা বেগম নিহত শাহ আলমের বড় ভাই আবু বক্কর সিদ্দিকের স্ত্রী।

গত ১৬ মে সকালে সংসারদীঘি গ্রামের বাড়ির পাশের একটি ধানখেত থেকে শাহ আলমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ১৭ মে নিহতের মামা হারুন অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে শিবগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আবু বক্কর কাজের কারণে বাড়ির বাইরে থাকতেন। এ সময় আরিফা বেগমের সঙ্গে একই গ্রামের শাহিন শেখের অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানতে পেরে শাহ আলম তাঁদের সম্পর্কের বিরোধিতা করেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজন জানান, ১৫ মে রাতে শাহিন আরিফার সঙ্গে দেখা করতে বাড়িতে যান। বিষয়টি টের পেয়ে শাহ আলম হাসুয়া হাতে উঠানে অবস্থান নেন। পরে আরিফা অন্য দরজা দিয়ে শাহিনকে পালাতে সহায়তা করেন।

এরপর শাহ আলম ধাওয়া করলে তিনি ধানখেতে পড়ে যান। এ সময় শাহিন তাঁর কাছ থেকে হাসুয়া কেড়ে নিয়ে মাথায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই শাহ আলমের মৃত্যু হয় বলে জানায় পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়, হত্যাকাণ্ডের পরও অভিযুক্তরা নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। পরে তাঁদের গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা হলে তাঁরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আদালতের নির্দেশে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×