

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। হৃদয়বিদারক এ ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামী নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে উপজেলার পূর্ব জুড়ী ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রিতা রুদ্র পাল গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। ঘটনার পর তার স্বামী পিন্টু রুদ্র পালকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে এক মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, দীর্ঘদিনের দাম্পত্য বিরোধের একপর্যায়ে স্বামী পিন্টু রুদ্র পাল ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রী রিতা রুদ্র পালের গলায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামী নিজেই জুড়ী থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ ও দাম্পত্য বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার সকালে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, এক পর্যায়ে পিন্টু রুদ্র পাল ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীর গলায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই রিতা রুদ্র পালের মৃত্যু হয়।
হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্ত পিন্টু রুদ্র পাল সরাসরি জুড়ী থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে।
পূর্ব জুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রুহেল উদ্দিন বলেন, “স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ ও মনোমালিন্য চলছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সেই বিরোধের জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।”
জুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, “খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে এবং এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।”
এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।