মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

ভাবির কাটা মাথা হাতে নিয়ে থানায় আত্মসমর্পণ! পশ্চিমবঙ্গে বিভীষিকাময় হত্যাকাণ্ড

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ জুন, ২০২৫, ১২:৪৮ এএম
ভাবির কাটা মাথা হাতে নিয়ে থানায় আত্মসমর্পণ! পশ্চিমবঙ্গে বিভীষিকাময় হত্যাকাণ্ড
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীতে গা শিউরে ওঠা এক খুনের ঘটনা ঘটেছে। সামান্য আম পাড়া নিয়ে ঝগড়ার জেরে দেবর ধারালো অস্ত্র দিয়ে আপন ভাবিকে কুপিয়ে হত্যা করে। শুধু হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি, শরীর থেকে মাথা আলাদা করে সেটি হাতে নিয়ে সারা গ্রাম ঘুরে শেষে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করে ঘাতক!

ঘটনাটি ঘটে বাসন্তীর ভরতগড় এলাকায়। নিহত গৃহবধূর নাম সতী মন্ডল (৪৫), অভিযুক্ত ঘাতকের নাম বিমল মন্ডল। তারা সম্পর্কে দেবর-ভাবি। নিহত সতীর স্বামী চার মাস আগে মারা যান। একমাত্র পুত্র সন্তান সোনারপুরে থেকে পড়াশোনা করছে।


🪓 চোখে-মুখে অনুতাপহীন হত্যাকারী!

ভয়াবহ ঘটনার একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, এক হাতে রক্তমাখা চপার, অন্য হাতে সদ্য কাটা নারীর মুণ্ডু। পুরো শরীর রক্তে ভেসে যাচ্ছে, তবুও চোখে-মুখে নেই সামান্যতম অনুশোচনা। যেন কিছুই হয়নি—এই ভঙ্গিতে থানার দিকে হাঁটতে দেখা যায় ঘাতক বিমলকে।


⚠️ দাবি: ‘আম গাছ আমার, অনুমতির দরকার কী!’

ঘটনার সূত্রপাত একটি আমগাছকে কেন্দ্র করে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত সতী ও অভিযুক্ত বিমলের বাড়ি পাশাপাশি। আগে থেকেই তাদের মধ্যে জমিজমা ও পারিবারিক বিরোধ ছিল। সম্প্রতি একটি আমগাছ থেকে আম পাড়াকে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। বিমল দাবি করেন, গাছটি তার সম্পত্তি। সতী পাল্টা দাবি করে বলেন, ‘আম পাড়ার জন্য কারো অনুমতির দরকার নেই।’

এই কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে, বাড়ি থেকে চপার এনে সতীকে মাথায় ও ঘাড়ে উপর্যুপরি কোপাতে থাকেন বিমল। এক পর্যায়ে শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন সতী।


🧟 গ্রামের পথ ধরে কাটা মুণ্ডু হাতে ঘোরাঘুরি

এরপর ভয়াবহ দৃশ্যের জন্ম দেন ঘাতক। এক হাতে কাটা মাথা, আরেক হাতে রক্তমাখা অস্ত্র হাতে তিনি সারা গ্রাম ঘুরে বেড়ান। এ দৃশ্য দেখে স্থানীয়দের কেউ কেউ ভয়ে পালিয়ে যান, কেউ আতঙ্কে চিৎকার শুরু করেন। পরে তিনি নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন।


🚨 গ্রেপ্তার ও স্বীকারোক্তি

পুলিশ বিমল মন্ডলকে তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে কাটা মাথা ও চপার উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বিমল খুনের কথা স্বীকার করে বলেন, “হঠাৎ মাথা গরম হয়ে যাওয়াতেই আমি এই কাজ করে ফেলেছি।”


📌 সংক্ষেপে:

  • অভিযুক্ত: বিমল মন্ডল, বাসন্তী থানার অধীন ভরতগড়ের বাসিন্দা
  • নিহত: সতী মন্ডল, তার ভাবি
  • মোটিভ: আম পাড়া নিয়ে পারিবারিক বিরোধ
  • ঘটনার ধরন: প্রকাশ্য কুপিয়ে হত্যা, মুণ্ডু বিচ্ছিন্ন
  • অবস্থা: আসামি পুলিশের হেফাজতে, স্বীকারোক্তি প্রদান

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

0 0 votes
রেটিং দিন।
Subscribe
Notify of
guest
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
Newest Most Voted

ছুটিতে মুখর সমুদ্র সৈকত

কুয়াকাটায় পর্যটকের ভিড়, বাড়ছে সাগর-ঢেউ দেখার আকর্ষণ

ফাহিমা বেগম প্রিয়া, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৮ পিএম
কুয়াকাটায় পর্যটকের ভিড়, বাড়ছে সাগর-ঢেউ দেখার আকর্ষণ

সপ্তাহের ছুটি ও অনুকূল আবহাওয়ার সুযোগে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে বাড়ছে পর্যটকের আনাগোনা। সাগরের গর্জন, উত্তাল ঢেউ, সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য এবং উন্নত পর্যটনসেবা ভ্রমণপিপাসুদের আকৃষ্ট করছে।

সাগরকন্যা খ্যাত কুয়াকাটায় পর্যটকের ভিড় দিন দিন বাড়ছে পর্যটকের উপস্থিতি। সপ্তাহান্তের ছুটি এবং অনুকূল মৌসুমি আবহাওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ভ্রমণপ্রেমীরা ছুটে আসছেন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় এই পর্যটনকেন্দ্রে।

স্থানীয় হোটেল ও মোটেল মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে পর্যটকদের চাপ বেড়ে যাওয়ায় আবাসিক কক্ষের বুকিং প্রায় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। ফলে পর্যটননির্ভর ব্যবসা-বাণিজ্যেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছে কুয়াকাটার মনোমুগ্ধকর সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের দৃশ্য, সাগরের উত্তাল ঢেউ এবং ঝাউবেষ্টিত প্রাকৃতিক পরিবেশ। অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে সৈকতের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসছেন।

ঢাকা থেকে আসা কয়েকজন পর্যটক জানান, কুয়াকাটার ঢেউ, সাগরের গর্জন এবং বিস্তীর্ণ বালুকাবেলা তাদের মুগ্ধ করেছে। প্রকৃতির সান্নিধ্যে কিছুটা সময় কাটিয়ে তারা মানসিক প্রশান্তি অনুভব করছেন।

পর্যটকদের সুবিধার্থে সৈকত এলাকায় নতুন করে বসার বেঞ্চ স্থাপন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং সৌন্দর্যবর্ধনের বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ট্যুরিস্ট পুলিশ ও বিচ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট কর্মীরা নিরাপত্তা ও সার্বিক তদারকিতে সক্রিয় রয়েছেন।

“কুয়াকাটা শুধু একটি সমুদ্র সৈকত নয়, এটি বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের অন্যতম সম্ভাবনাময় কেন্দ্র। পর্যটকদের আগমন যেমন স্থানীয় অর্থনীতিকে সচল করে, তেমনি এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ কুয়াকাটা গড়ে তুলতে প্রশাসন, ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।”

খাদিজা বেগম
নির্বাহী সম্পাদক, দৈনিক আজকের কথা

সংশ্লিষ্ট ট্যুর অপারেটরদের প্রত্যাশা, সামনের মাসগুলোতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কুয়াকাটায় পর্যটকের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং পর্যটন খাতের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

অর্থপাচার নাকি বাণিজ্যিক লেনদেন?

সর্বোচ্চ টাকা পাচারের জন্য বিশ্ব বাটপার ড. ইউনূস ডাবল নোবেলের দাবিদার : গোলাম মাওলা রনি

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী, সম্পাদক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১২:০৪ পিএম
সর্বোচ্চ টাকা পাচারের জন্য বিশ্ব বাটপার ড. ইউনূস ডাবল নোবেলের দাবিদার : গোলাম মাওলা রনি

বিশ্ব বাটপার ইউনূসের অর্থ ফেরতের বুলি, আড়ালে ১৩ হাজার কোটি টাকা পাচারের রেকর্ড! : সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত ৪১ শতাংশ বৃদ্ধির তথ্য তুলে ধরে অর্থপাচার বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন গোলাম মাওলা রনি। তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, ওই আমানতের বড় অংশই অবৈধ বাণিজ্যিক লেনদেন সংশ্লিষ্ট এবং তা সরাসরি অর্থপাচারের সামিল, তারা মনে করেন বিশ্ব বাটপার ইউনুসের শাস্তি হওয়া দরকার।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অবৈদ প্রধান উপদেষ্টা বিশ্ব বাটপার ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আমলে দেশ থেকে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ পাচার হচ্ছে এবং এর জন্য তিনি আরেকটি নোবেল বা ‘ডাবল নোবেল’ পাওয়ার দাবিদার—সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনির এমন একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র ঝড় তুলেছে। একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে দেওয়া তার এই ব্যঙ্গাত্মক বক্তব্যটি নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তবে অর্থনীতিবিদ ও ফ্যাক্ট-চেকাররা বলছেন, সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (সুইস ব্যাংক) সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে এই বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।

গোলাম মাওলা রনির বক্তব্যে যা বলা হয়েছে

টকশোতে গোলাম মাওলা রনি অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের একটি প্রতিবেদনের সূত্র ধরে বলেন, শেখ হাসিনার ১৭ বছরের শাসনামলে দেশ থেকে প্রায় ১৬ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছিল। তবে সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাম্প্রতিক তথ্যের বরাতে তিনি দাবি করেন, বিশ্ব বাটপার ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এক বছরেই সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ জমা রাখার পরিমাণ ৪১% বৃদ্ধি পেয়েছে।
শেখ হাসিনা সরকারের চেয়েও বর্তমান সরকারের আমলে অর্থপাচারের গতি বেশি উল্লেখ করে রনি রসাত্মকভাবে বলেন, “এই অভাবনীয় সাফল্যের জন্য ড. ইউনূসকে আরও একটি নোবেল পুরস্কার দেওয়া উচিত।” তিনি আরও যোগ করেন, এই বিষয়ে দেশে একটি গণভোট হওয়া দরকার, যেখানে ১৮ কোটি মানুষ নোবেল কমিটিকে ভোট দিয়ে ড. ইউনূসকে আরেকটি নোবেল দেওয়ার সুপারিশ করবে।

প্রকৃত সত্য: সুইস ব্যাংকের টাকা মানেই কি পাচার?

গোলাম মাওলা রনির এই দাবিকে পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় অর্থনীতিবিদ ও আর্থিক খাতের বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের যে অর্থ জমা থাকে, তার বড় অংশই ব্যক্তিগত অর্থপাচার নয়, বরং বৈধ বাণিজ্যিক লেনদেনের অংশ।
  • বাণিজ্যিক আমানত: সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের (SNB) বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশিদের মোট জমার সিংহভাগই থাকে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের নামে (যা প্রধানত এলসি বা আমদানির বিপরীতে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে গ্যারান্টি বা আমানত হিসেবে রাখা হয়)।
  • ব্যক্তিগত আমানতের চিত্র ভিন্ন: গত কয়েক বছরের ধারা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশিদের ব্যক্তিগত বা গোপন অ্যাকাউন্টের আমানত সুইস ব্যাংকে ক্রমাগত কমছে।
  • ভুল পরিসংখ্যানের ব্যবহার: বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের উত্থান-পতনের কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বা বাণিজ্যিক ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে ডলারের পরিমাণ বাড়তে বা কমতে পারে, যা কোনোভাবেই ব্যক্তিগত অর্থপাচারের প্রমাণ নয়।

সরকারের প্রতিক্রিয়া

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিগত সরকারের আমলে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাথে জোরদার কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সুইস ব্যাংকের স্বাভাবিক বাণিজ্যিক লেনদেনের পরিসংখ্যানকে “অর্থপাচার” হিসেবে প্রচার করাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বিভ্রান্তিকর বলে মনে করছে সরকার।
এই খবরের গভীর বিশ্লেষণ এবং গোলাম মাওলা রনির পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে পড়তে পারেন বাংলাদেশ টাইমস এবং কালের কণ্ঠের প্রতিবেদন

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

চিনাডুলী ইউনিয়নে চাঞ্চল্য

জামালপুরে উড়ো চিঠিতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে হত্যার হুমকি

খাদিজা বেগম, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১০:৩৮ এএম
জামালপুরে উড়ো চিঠিতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে হত্যার হুমকি
ফোকাস: জামালপুরের ইসলামপুরে ডাকযোগে পাঠানো একটি উড়ো চিঠিতে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোহাম্মদ সবুজকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মুজিব শতবর্ষের লোগো সংবলিত খামে পাঠানো ওই চিঠিকে কেন্দ্র করে এলাকায় উদ্বেগ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় ডাকযোগে পাঠানো একটি উড়ো চিঠিতে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোহাম্মদ সবুজকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) বিকেলে উপজেলার চিনাডুলী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সবুজ চিঠিটি হাতে পান।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুজিব শতবর্ষের লোগো সংবলিত একটি খামের ওপর প্রাপক হিসেবে মোহাম্মদ সবুজ ও তার বাবা জাহাঙ্গীর আলমের নাম-ঠিকানা উল্লেখ ছিল। খামের ভেতরে থাকা হলুদ রঙের একটি কাগজে হাতে লেখা বার্তায় অশালীন ভাষা ব্যবহার করে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। চিঠিতে তাকে প্রকাশ্যে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তবে চিঠিতে প্রেরকের কোনো নাম বা পরিচয় উল্লেখ ছিল না।

মোহাম্মদ সবুজ বলেন, “আমি বাড়িতে না থাকায় পরে জানতে পারি, আবু তালেব নামে একজন ব্যক্তি আমাদের বাড়ির সামনে এসে চিঠিটি রেখে যান। বিষয়টি জানার পর ডাকঘরে খোঁজ নিয়েছি। সেখান থেকে আমাকে জানানো হয়েছে, চিঠিটি ইসলামপুর উপজেলা ডাকঘরের মাধ্যমে এসেছে।”

তিনি আরও বলেন, “ব্যক্তিগত কিংবা রাজনৈতিকভাবে আমার সঙ্গে কারও এমন কোনো বিরোধ নেই, যার কারণে এ ধরনের হুমকি আসতে পারে। কে বা কারা এর পেছনে রয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে এমনটি করেছে, তা বুঝতে পারছি না। চিঠিটি পাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।”

তিনি জানান, এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়নি। তবে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে।

এ বিষয়ে জামালপুরের ইসলামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, “ঘটনাটি আমার জানা নেই। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×
CLOSE X
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x