প্রিন্ট এর তারিখঃ মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

মৌলভীবাজারে নারী নির্যাতন, যৌতুক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে উঠান বৈঠক

বাল্যবিবাহ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধ
জালালুর রহমান, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :

নারী নির্যাতন, যৌতুক প্রথা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার লক্ষ্যে মৌলভীবাজারে একটি উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন ২০২৬) দুপুরে জাতীয় মহিলা সংস্থা, মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • মৌলভীবাজারে নারী নির্যাতন, যৌতুক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • আয়োজক জাতীয় মহিলা সংস্থা, সহযোগিতায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  • প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুজ্জামান পাভেল
  • নারীর অধিকার, যৌতুকের ক্ষতি ও বাল্যবিবাহের আইনগত পরিণতি নিয়ে আলোচনা
  • সামাজিক সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান
  • স্থানীয় নারী, সামাজিক নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুজ্জামান পাভেল। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় মহিলা সংস্থা, মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের জেলা কর্মকর্তা মো. কহিদুল ইসলাম।

বৈঠকে বক্তারা নারী নির্যাতন প্রতিরোধ, যৌতুক প্রথার নেতিবাচক প্রভাব, বাল্যবিবাহের সামাজিক ও আইনগত পরিণতি এবং নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তারা বলেন, পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সর্বস্তরে সচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া এসব সামাজিক সমস্যা দূর করা সম্ভব নয়।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুধু সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; এর পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা, পারিবারিক মূল্যবোধ এবং সম্মিলিত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলাও অত্যন্ত জরুরি।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় নারী, জাতীয় মহিলা সংস্থার সদস্যবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা নারী নির্যাতন, যৌতুক ও বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বক্তারা বলেন, উঠান বৈঠকের মতো জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে নারী ও শিশুর অধিকার, আইনগত সুরক্ষা এবং সামাজিক দায়িত্ববোধের বার্তা আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।

এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে নারী নির্যাতন, যৌতুক এবং বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রিন্ট করুন