মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩

গ্রাম আদালতে দ্রুত বিচার

দেবীদ্বারে গ্রাম আদালত বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৩:৫৫ পিএম
দেবীদ্বারে গ্রাম আদালত সচেতনতা

দেবীদ্বারে গ্রাম আদালত বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল ইসলাম। ছবি : আজকের কথা

গ্রাম আদালত সম্পর্কে সচেতনতাই পারে স্বল্প খরচে ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে

কুমিল্লার দেবীদ্বারে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় সহজ, দ্রুত ও স্বল্প ব্যয়ে বিচারসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে “স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের ভূমিকা” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল ১১টায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের তত্ত্বাবধানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভাকক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং গ্রাম আদালত উপজেলা সমন্বয়ক সাইফুল করিম খান ও মরিয়ম সুলতানার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও উন্নয়নকর্মীরা অংশ নেন।

আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক মো. ফয়সল উদ্দিন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. নোমান হোসেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. হারুন-অর-রশিদ, উপপরিদর্শক (এসআই) সাগর সাহা, দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, নিজেরা করি সংস্থার জেলা সমন্বয়ক আব্দুল জব্বার, উদ্দীপকের শাখা ব্যবস্থাপক মো. আবু হেনা, পদক্ষেপের ব্যবস্থাপক সোহেল মিয়া, প্রদীপ ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপক শিব শংকর ঘোষ, সাংবাদিক আক্তার হোসেন ও মো. আবুবক্কর সিদ্দিকসহ অন্যান্যরা।

সভায় বক্তারা বলেন, গ্রাম আদালত গ্রামীণ জনগণের জন্য একটি কার্যকর, সহজলভ্য ও স্বল্প ব্যয়ী বিচারব্যবস্থা। স্থানীয় পর্যায়ের ছোটখাটো বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তির মাধ্যমে সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে গ্রাম আদালতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে এখনো অনেক মানুষ এ বিষয়ে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকায় এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম বলেন, “গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি করা গেলে সাধারণ মানুষ বিনা খরচে বা অল্প খরচে দ্রুত বিচারসেবা পেতে পারবেন। এজন্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। প্রশিক্ষণ, প্রচারণা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন। কারণ এখনো সমাজের একটি বড় অংশ গ্রাম আদালতের কার্যক্রম সম্পর্কে অবগত নয়।”

তিনি আরও বলেন, গ্রাম আদালতের কার্যক্রমকে মানুষের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর করতে স্থানীয় পর্যায়ে গণসচেতনতা বৃদ্ধি, প্রচার-প্রচারণা এবং অংশীজনদের সম্পৃক্ততা বাড়ানো জরুরি।

আলোচনা শেষে গ্রাম আদালতের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

0 0 votes
রেটিং দিন।
Subscribe
Notify of
guest
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
Newest Most Voted
এলাকার খবর

মরা খালের আর্তনাদ: কুমিল্লার মুরাদনগরে হারিয়ে যাচ্ছে কাজিয়াতলের মাছ শিকারের শতবর্ষের ঐতিহ্য

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:১২ এএম
মরা খালের আর্তনাদ: কুমিল্লার মুরাদনগরে হারিয়ে যাচ্ছে কাজিয়াতলের মাছ শিকারের শতবর্ষের ঐতিহ্য

খালের বুকে আর নামে না জাল, শোনা যায় না মাছ ধরার উল্লাস—হারিয়ে যাচ্ছে কাজিয়াতলের শতবর্ষের ঐতিহ্য

একসময় যেই খালের ঢেউয়ের শব্দে মুখরিত থাকত পুরো গ্রাম। এখন সেই খালেরই কান্নার আর্তনাদ চোখে পড়ার মতো। বর্ষা এলেই শত শত মানুষ খড়া জাল, বেড় জাল, খাঁটি আর পলো হাতে নেমে পড়তেন মাছ ধরার উৎসবে। শিশুদের হাসি, জেলেদের ব্যস্ততা আর গ্রামবাসীর মিলনমেলায় প্রাণ ফিরে পেত কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ১৯ নম্বর দারোরা ইউনিয়নের কাজিয়াতল গ্রাম। অথচ আজ সেই খাল নীরব। পানির জায়গা দখল করেছে ঘাস-ঝোপ, আর মাছের রাজত্ব পরিণত হয়েছে শুকনো স্মৃতিতে।

গ্রামের পূর্ব পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া এই ঐতিহ্যবাহী খালটি একসময় ছিল এলাকার প্রাণ। বছরের প্রায় সব সময়ই এতে থাকত পর্যাপ্ত পানি। বর্ষাকালে খালটি ধারণ করত ভয়াল অথচ মনোমুগ্ধকর রূপ। স্রোতের বেগে পানির গর্জন শোনা যেত দূর থেকে। শুধু মাছের আধারই নয়, এই খাল ছিল স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকা, সংস্কৃতি, বিনোদন ও সামাজিক সম্প্রীতির অন্যতম কেন্দ্র।

প্রবীণদের ভাষ্যমতে, মাছ ধরা ছিল শুধু একটি কাজ নয়—এটি ছিল গ্রামীণ উৎসব। খালের দুই পাড়ে জড়ো হতো শত শত মানুষ। কেউ জাল ফেলতেন, কেউ পলো চালাতেন, কেউ আবার ধরা মাছ ভাগাভাগি করে বাড়ি ফিরতেন। শিশু-কিশোরদের উচ্ছ্বাস, নারীদের আনন্দ আর প্রবীণদের গল্পে মুখর থাকত পুরো এলাকা। সেই দৃশ্য আজ আর কোথাও দেখা যায় না।

সময়ের পরিবর্তন, জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব, অপরিকল্পিত ভরাট, দখল এবং দীর্ঘদিনের অবহেলায় খালটি আজ মৃতপ্রায়। আগের মতো পানি জমে না, নেই মাছের প্রাকৃতিক আবাস। ফলে বিলুপ্তির পথে শুধু জলজ সম্পদ নয়, হারিয়ে যাচ্ছে একটি জনপদের শতবর্ষের লোকজ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিও।

গ্রামের প্রবীণ জেলে শ্রী শম্ভু নাথ চন্দ্র দাস চোখে-মুখে আক্ষেপের ছাপ নিয়ে বলেন, “একসময় এই খালে এত মাছ ছিল যে জাল ফেললেই উঠে আসত। এখন খালেই পানি থাকে না, মাছও নেই। আগের মতো গ্রামের মানুষ একসঙ্গে মাছ ধরার আনন্দও আর উপভোগ করতে পারে না। সবকিছুই যেন স্মৃতি হয়ে গেছে।”

খালের পাড়ের বাসিন্দা হোসনেয়ারা বেগম, জাহানারা বেগমমনোয়ারা বেগম বলেন, “এই খালের সঙ্গে আমাদের শৈশব জড়িয়ে আছে। ছোটবেলায় সবাই মিলে মাছ ধরতাম, কত আনন্দ করেছি! এখন সেই খালে আর পানি নেই। সেখানে ঘাস জন্মেছে। সেই ঘাস গরু-ছাগলের জন্য কেটে নিয়ে যাই। খালের পাড় থেকে বিভিন্ন দেশীয় শাক-লতাপাতাও সংগ্রহ করি। কিন্তু খালের সেই প্রাণ আর নেই।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, খালটি রক্ষায় দীর্ঘদিন ধরেই কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। নিয়মিত খনন, অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং পানি প্রবাহ নিশ্চিত করা গেলে খালটি আবারও প্রাণ ফিরে পেতে পারে বলে মনে করছেন তারা। একই সঙ্গে তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং পানি উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

পরিবেশবিদদের মতে, একটি খাল শুকিয়ে যাওয়া মানে শুধু একটি জলাধার হারিয়ে যাওয়া নয়; এর সঙ্গে বিলীন হয় জীববৈচিত্র্য, কৃষি, মৎস্যসম্পদ, স্থানীয় অর্থনীতি এবং গ্রামীণ সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। তাই এখনই কার্যকর উদ্যোগ না নিলে কাজিয়াতলের এই ঐতিহ্যবাহী খাল ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে কেবল ইতিহাসের পাতায় কিংবা প্রবীণদের স্মৃতিচারণেই সীমাবদ্ধ থাকবে।

মরা খালটি আজ যেন নীরবে প্রশ্ন ছুড়ে দিচ্ছে—উন্নয়নের নামে আমরা কি আমাদের শেকড়, প্রকৃতি ও ঐতিহ্যকে ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলছি?

​দেবীদ্বারে বিএনপির রাজনীতিতে চরম তোলপাড়: তারিখহীন চিঠিতে বিলুপ্ত সব ইউনিয়ন-ওয়ার্ড কমিটি

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫২ পিএম
​দেবীদ্বারে বিএনপির রাজনীতিতে চরম তোলপাড়: তারিখহীন চিঠিতে বিলুপ্ত সব ইউনিয়ন-ওয়ার্ড কমিটি

কুমিল্লার দেবীদ্বারে ওই উপজেলা বিএনপির অধীনস্থ সকল ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। তবে বিজ্ঞপ্তির মূল প্যাডে কোনো প্রকার ‘তারিখ’ ও ‘স্মারক/সূত্র নম্বর’ উল্লেখ না থাকায় বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে চরম তোলপাড় ও মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

​সম্প্রতি দেবীদ্বার উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. জসিম উদ্দিন এবং সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

​বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দেবীদ্বার উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক দলকে আরও গতিশীল ও পুনর্গঠন করার লক্ষ্যেই অধীনস্থ সকল ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড কমিটি একযোগে বিলুপ্ত করা হলো। বিজ্ঞপ্তির অনুলিপি বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হাশেমের নিকট প্রেরণ করা হয়েছে।

​তবে প্রেস বিজ্ঞপ্তিটিতে কোনো প্রকাশনার তারিখ উল্লেখ না থাকায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। নেতাকর্মীদের একাংশের মতে, দাপ্তরিক চিঠিতে তারিখ না থাকা সাংগঠনিক নিয়মরীতির স্পষ্ট ব্যাঘাত ঘটায়। অন্যদিকে, কমিটি বিলুপ্তির এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

​উপজেলা বিএনপির দায়িত্বশীলদের সূত্রে জানানো হয়েছে, দলকে আরও সুসংগঠিত করতে এবং নিষ্ক্রিয়তা দূর করতে শীঘ্রই নতুন প্রক্রিয়ায় এসব কমিটি পুনর্গঠনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে দেবীদ্বার উপজেলা বিএনপির আহবায়ক জসিম উদ্দিন ও সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও তাদের কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।

২০১৮ সালের নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী ৩২ সাবেক ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী : প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩১ পিএম
২০১৮ সালের নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী ৩২ সাবেক ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর

২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনকারী ৩২ জন সাবেক জেলা প্রশাসককে (ডিসি) বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।

সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানায়। বর্তমানে তারা যুগ্ম সচিব পদমর্যাদায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। চাকরির ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী তাদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারা অনুযায়ী ২৫ বছর চাকরিকাল পূর্ণ হওয়া কর্মকর্তাদের কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ ছাড়াই অবসরে পাঠানোর ক্ষমতা সরকারের রয়েছে। অবসরে যাওয়া কর্মকর্তারা প্রচলিত বিধি অনুযায়ী সব অবসর-সুবিধা পাবেন।

বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়া কর্মকর্তারা সবাই বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ২০তম ব্যাচের সদস্য। এর আগে ২০২৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি তাদের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছিল।

অবসরে পাঠানো কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন— চাঁদপুরের মো. মাজেদুর রহমান খান, কুমিল্লার মো. আবুল ফজল মীর, কুষ্টিয়ার মো. আসলাম হোসেন, নেত্রকোনার মঈনউল ইসলাম, বান্দরবানের মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম, নাটোরের মো. শাহরিয়ার, শরীয়তপুরের কাজী আবু তাহের, চাঁপাইনবাবগঞ্জের এ জেড এম নুরুল হক, ময়মনসিংহের মো. মিজানুর রহমান, চট্টগ্রামের মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, লক্ষ্মীপুরের অঞ্জন চন্দ্র পাল, রাঙামাটির এ কে এম মামুনুর রশিদ, কক্সবাজারের মো. কামাল হোসেন, সুনামগঞ্জের মো. আব্দুল আহাদ, পাবনার মো. জসিম উদ্দিন, ঝিনাইদহের সরোজ কুমার নাথ, খাগড়াছড়ির মো. শহিদুল ইসলাম, ফেনীর মো. ওয়াহিদুজ্জামান, বরিশালের এস এম অজিয়র রহমান, ভোলার মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, পটুয়াখালীর মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী, নীলফামারীর নাজিয়া শিরিন, রাজশাহীর এস এম আব্দুল কাদের, মাগুরার মো. আলী আকবর, হবিগঞ্জের মাহমুদুল কবীর মুরাদ, কিশোরগঞ্জের মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, নরসিংদীর সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, খুলনার মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, শেরপুরের আনার কলি মাহবুব, কুড়িগ্রামের মোছা. সুলতানা পারভীন, মানিকগঞ্জের এস এম ফেরদৌস এবং চুয়াডাঙ্গার গোপাল চন্দ্র দাশ।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ভোটগ্রহণের আগের রাতে ব্যালটে সিল দেওয়ার অভিযোগ ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। এ কারণেই নির্বাচনটি বিভিন্ন মহলে ‘রাতের ভোট’ নামে পরিচিতি লাভ করে।

×
CLOSE X