

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এক প্রসূতি। বিরল এ ঘটনায় হাসপাতালজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও আনন্দের মধ্যেই নেমে এসেছে বিষাদের ছায়া। জন্মের কিছুক্ষণ পরই পাঁচ নবজাতকের একজন মারা গেছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডে স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে তিন ছেলে ও দুই মেয়েসহ মোট পাঁচ সন্তানের জন্ম দেন মোছা. চাঁদনী আক্তার।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চাঁদনী আক্তার ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার ভবুকদিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তার স্বামী মো. হাসান শেখ। প্রসববেদনা শুরু হলে বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তিনি স্বাভাবিকভাবে পাঁচ সন্তানের জন্ম দেন।
জন্ম নেওয়া পাঁচ নবজাতকের মধ্যে একটি সন্তান জন্মের পরপরই মারা যায়। বাকি চার নবজাতককে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের নবম তলার শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রসূতি মা বর্তমানে শারীরিকভাবে সুস্থ ও স্থিতিশীল রয়েছেন। জীবিত চার নবজাতকের সার্বক্ষণিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
চিকিৎসকদের ভাষ্য, একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম (কুইন্টুপলেট) অত্যন্ত বিরল ঘটনা। এ ধরনের গর্ভধারণ ও প্রসবে মা ও নবজাতকদের জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসা এবং নিবিড় পরিচর্যার প্রয়োজন হয়। তাই জীবিত চার নবজাতকের সুস্থতা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসা চলছে।