জনকণ্ঠের সাংবাদিক বিতর্ক, জনকণ্ঠে ভিতর থেকেই ষড়যন্ত্র! ফেসবুক পেজ হ্যাক করে সম্পাদকের বিরুদ্ধে মব তৈরির চক্রান্ত একদল বরখাস্ত কর্মীর
জনকণ্ঠের সাংবাদিক বিতর্ক এখন আর নিছক বিতর্ক নয়, বরং এটি পরিণত হয়েছে গভীর ষড়যন্ত্রে। সংবাদ মাধ্যমটির ফেসবুক পেজে সম্প্রতি যে বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত স্ট্যাটাস প্রকাশিত হয়েছে, তার পেছনে রয়েছে জনকণ্ঠেরই কিছু স্বার্থান্বেষী ও নিয়ম ভঙ্গকারী কর্মী।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, পত্রিকার ফেসবুক পেজটি হ্যাক করে এই কর্মীদের একটি গোষ্ঠী সম্পাদক শামিমা এ খানের বিরুদ্ধে জনরোষ সৃষ্টি ও মব ম্যানিপুলেশনের পরিকল্পনা চালাচ্ছে। July বিপ্লবের নামে তারা দাবি করেছে, পত্রিকার ২০ জন সাংবাদিককে ছাঁটাই করা হয়েছে এবং পত্রিকার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। অথচ বাস্তবে পত্রিকাটি স্বাভাবিকভাবেই চলমান এবং এমন কোনো ছাঁটাই ঘটেনি।
পত্রিকার ভেতরের তথ্য বলছে, এই কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে নীতিভ্রষ্ট আচরণ করে চলছিলেন এবং প্রতিষ্ঠানের নিয়মনীতি মানছিলেন না। তাদের চূড়ান্তভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। শৃঙ্খলার প্রশ্নে কোনো আপোষ না করে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
জনকণ্ঠ পরিবার এক বিবৃতিতে জানায়:
“পত্রিকাটি কোনো রাজনৈতিক ‘বিপ্লব’-এর অংশ নয়। এটি একটি সুপ্রতিষ্ঠিত পত্রিকা যা মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার পক্ষের মূল্যবোধে বিশ্বাসী। কিছু অসৎ কর্মী ব্যক্তিগত স্বার্থে ভুয়া প্রচার চালিয়ে সম্পাদকের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চাইছে।”
সম্পাদকের বিরুদ্ধে এই “মব সৃষ্টির পায়তারা” আসলে একটি বৃহত্তর অপপ্রচারের অংশ—যেখানে একদল দালাল শ্রেণির লোক নিজেদের স্বার্থ আদায়ের জন্য জাতির কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করতে চায়।
জনকণ্ঠ বাংলাদেশের সাংবাদিকতা জগতে একটি আস্থার নাম। এই ধরণের ষড়যন্ত্র পত্রিকার ওপর আঘাত, গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর আঘাত এবং একজন নারী সম্পাদকের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক অপতৎপরতা।

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী